সামনেই লোকসভা নির্বাচন।রবিবার ব্রিগেডের জনগর্জন সভা থেকে নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে নাম ছিলনা অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এদিকে বাঁকুড়া কেন্দ্রের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরা কিছুদিন আগে থেকেই শুরু করেছিলেন রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদিকা ও অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন : সুপ্রিম রায় এসবিআইকে, কালই প্রকাশ করতে হবে নির্বাচনী বন্ড
তবে ঘোষণা হয় বাঁকুড়া কেন্দ্র থেকে সায়ন্তিকা নন, লড়বেন জেলা সভাপতি অরূপ চক্রবর্তী। এই ঘোষণা হওয়ার পরেই চরম অপমানিত বোধ করেন সায়ন্তিকা।রবিবারের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দলের সমস্ত পদ ছাড়লেন অভিনেত্রী। তিনি পদত্যাগ পত্রে লিখেছিলেন,”আমি দলের সমস্ত রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত।”

তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “এটা ভুয়ো। আমি কোনও পদত্যাগ করিনি। আমার ব্যক্তিগতভাবে খারাপ লাগতে পারে। তবে এই ধরনের কোনও চিঠি আমি দিইনি। যে চিঠি ঘুরছে তাতে কোনও সই নেই, স্ট্যাম্প নেই। প্রিন্ট করা একটা ছবি ঘুরছে। সেক্ষেত্রে যে কেউ লেটার হেড নিয়ে চিঠি প্রিন্ট করতে পারে।” বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ওরা যোগাযোগ করেছে। কিন্তু, আমি তার কোনও উত্তর দিইনি। এত ক্ষোভ এত রাগ এত অভিমান আমি আমার দলকেই বলব। ওরা কোনও উত্তর পাবে না। ”

‘এত ক্ষোভ এত রাগ এত অভিমান আমি আমার দলকেই বলব’, BJP তে যোগদান প্রসঙ্গ উড়িয়ে বললেন সায়ন্তিকা
অর্থাৎ বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। সায়ন্তিকা আরও বলেন, “তিন বছর ধরে মাটি কামড়ে পড়েছিলাম। কী কারণে করল না তা দল জানে। আগে জানালে ভালো হত। এটাতে অভিমান হয়েছে। আমি হেরে যাওয়ার পরেও কাজটা করেছি। মাটি কামড়ে পড়েছিলাম। শ্যুটিংয়ের কাজ বদলে ডেট বদলে ওখানে পড়েছিলাম। কেন প্রার্থী করল না দল বলতে পারবে। আগে আমি বিষয়টা জানতাম না। তবে আঁচ করতে পারছিলাম। আলোচনার মধ্যে জানতে পারলে ভালো হত। সাতটা বিধানসভা নিয়ে আমি কাজ করছিলাম। আমার মন খারাপ হয়ে গিয়েছিল বলে বেরিয়ে যাইনি, শরীর খারাপ হয়েছিল বলে বেরিয়ে গিয়েছিলাম।”



