টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। সেই দলে জায়গা না পেলেও ভারতের টেস্ট ক্রিকেটকে নতুন করে গুছিয়ে তোলাই এখন শুবমান গিলের মূল লক্ষ্য। ২৫ বছর বয়সে টেস্ট ও একদিনের দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব পাওয়ার পর, ঘরের মাঠে লাল বলের হতশ্রী পারফরম্যান্স ঘিরে বোর্ডের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাখলেন তিনি।
ঘরের মাঠেই বড় চিন্তা
গত এক বছরেরও বেশি সময়ে নিজেদের মাঠে টেস্ট ক্রিকেটে বারবার ধাক্কা খেয়েছে ভারত। নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হোয়াইটওয়াশ হয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে দলের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা। এই প্রেক্ষাপটেই দলকে ফের সঠিক ছন্দে ফেরানোর রূপরেখা তুলে ধরেছেন শুবমান গিল।


১৫ দিনের প্রস্তুতি শিবিরের প্রস্তাব
নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বৈঠকে গিল স্পষ্টভাবে জানান, যে কোনও টেস্ট সিরিজ়ের অন্তত ১৫ দিন আগে বিশেষ প্রস্তুতি শিবির দরকার। বোর্ড সূত্রে খবর, গিলের যুক্তি—ঠাসা সূচির কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দল পর্যাপ্ত লাল বলের অনুশীলনের সুযোগ পায়নি, যার প্রভাব সরাসরি ম্যাচে পড়ছে।
এক বোর্ড কর্তা বলেন, “গিল মনে করছেন টেস্ট ক্রিকেটে আলাদা করে পরিকল্পনা ও দীর্ঘ প্রস্তুতি ছাড়া সাফল্য সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি সিরিজ়ের আগে লাল বলের ক্যাম্প আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।”
BCCI-র ইতিবাচক সাড়া
BCCI গিলের এই সক্রিয় ভূমিকা ও স্পষ্ট মতামতকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে। বোর্ডের অন্দরমহলে আলোচনা, ভবিষ্যতে দল গঠন ও প্রস্তুতির ক্ষেত্রে গিলের মতামত আরও বেশি গুরুত্ব পাবে।


নেতৃত্বে গিল, বদলাচ্ছে ভাবনা
টেস্ট ও ODI—দু’দলেরই নেতৃত্ব এখন গিলের কাঁধে। টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মা-র মতো দৃঢ় ও স্পষ্ট নেতৃত্বই চাইছিল বোর্ড। সেই দিক থেকে গিলের পরিকল্পনা ও স্ট্র্যাটেজিক ভাবনা ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক বলেই মনে করছেন কর্তারা।
সব মিলিয়ে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাইরে থেকেও শুবমান গিল বুঝিয়ে দিলেন—ভারতের টেস্ট ক্রিকেটকে নতুন করে দাঁড় করানোই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য।







