শুভমান গিলের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ব্যর্থতার ধারা ফের আলোচনায়। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম দুটি ম্যাচে ভারতের সহ-অধিনায়ক গিল রান করেছেন মাত্র ৪ এবং ০। তবু নিয়মিত ওপেনিংয়ে সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে, ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন দুটি ম্যাচেই দল থেকে বাদ পড়েছেন। এই নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার সুব্রহ্মণ্যম বদ্রীনাথ।
এশিয়া কাপে দলে থাকা সঞ্জুকে সেই সময়ে নিচের সারিতে ব্যাট করতে হয়। চলতি সিরিজে তাঁকে পুরোপুরি বেঞ্চে বসিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় কিপিং করছেন জিতেশ শর্মা। ওপেনিংয়ে অভিষেক শর্মার সঙ্গী করা হয়েছে গিলকে—এই সিদ্ধান্তই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের।


তামিল ধারাভাষ্যে বদ্রীনাথ বলেন, “টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সঞ্জুর তিনটি সেঞ্চুরি আছে। একজন খেলোয়াড় এর বেশি আর কী প্রমাণ করবেন? এত ভাল পারফরম্যান্স করেও তাঁকে খেলানো হচ্ছে না—এটা সত্যিই কষ্টের।”
শুধু তাই নয়, সঞ্জুকে বাদ দেওয়ার নেপথ্যে সহ-অধিনায়কত্বের প্রভাব রয়েছে বলেও মত তাঁর। বদ্রীনাথ বলেন, “প্রথম একাদশে অধিনায়ক বা সহ-অধিনায়কই নিশ্চিত। হয়তো সেই কারণেই গিল খেলছে। কিন্তু ওকে বুঝতে হবে—এই ভূমিকায় রান করাটা বাধ্যতামূলক। ভারতের মতো দেশে প্রতিভার কোনও অভাব নেই।”

গিলের ব্যর্থতার পর সোশাল মিডিয়াতেও উঠছে সমালোচনার ঝড়। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন—এই ভাবে কি সঞ্জু, যশস্বী বা ঈশান কিষাণের কেরিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হবে? একজন নেটিজেনের মন্তব্যকেই প্রতিধ্বনি করে অনেকে বলছেন, “ওয়ানডেতে ঈশানের কেরিয়ার শেষ—এবার টি-টোয়েন্টিতে কি একই পরিণতি সঞ্জুর?”


তথ্য বলছে, ২০২৪ থেকে ওপেনার হিসেবে বেশ সাফল্য পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। ৫১ টি-টোয়েন্টিতে ৯৯৫ রান, ১২ ইনিংসে তিনটি সেঞ্চুরি এবং স্ট্রাইক রেট ১৪৭.৪০। যদিও চলতি বছর তিনি ১৩ ম্যাচে কোনও হাফসেঞ্চুরি করতে পারেননি। তবুও ধারাবাহিক ব্যাটিং অবস্থানেই পাওয়া সাফল্য তাঁর পক্ষে শক্ত যুক্তি।
১৪ ডিসেম্বর রবিবার সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি। চোখ এখন একটাই প্রশ্নে—শুভমান গিল কি ব্যাটে জবাব দিতে পারবেন বদ্রীনাথের তীক্ষ্ণ সমালোচনাকে?







