নজরবন্দি ব্যুরোঃ শনিবার পুলিশি ঘেরাটোপের মাঝেই মৃত্যু হয় আতিক আহমেদের। জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়ে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালাতে দেখা যায় ধৃতদের। সেই ঘটনা নিয়ে সকাল থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া মিলেছে তৃণমূলের নেতাদের তরফে। এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ট্যুইট করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, উত্তরপ্রদেশে নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। এই দৃশ্যে আমি স্তম্ভিত!
আরও পড়ুনঃ Recruitment Scam: পার্থ-কুন্তলরা চুনোপুটি, দুর্নীতিতে পাল্লাভারি জীবনকৃষ্ণের!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, উত্তরপ্রদেশে নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার ছবি দেখে আমি স্তম্ভিত। এটা চূড়ান্ত লজ্জার যে, অপরাধীরা পুলিশ এবং সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিতে আইন হাতে তুলে নিচ্ছে। সাংবিধানিক গণতন্ত্রে এই ধরনের বেআইনি কাজের কোনও জায়গা নেই। সাংবিধানিক গণতন্ত্রে এই দুর্বৃত্তায়ণ কখনই চলতে পারে না। বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।
I am shocked by the brazen anarchy and total collapse of law & order in Uttar Pradesh.
সদ্য প্রকাশিত
পুতিন-জিনপিংদের আপ্যায়নে বাংলার কুচো নিমকি! BRICS-এর মেনুতে বাঙালিকে ভুলল না TATA-র Taj
মোদীর BRICS নৈশভোজে কী ছিল মেনু? কাঁদভি থেকে গুচ্ছি, শেষে জলেবি-শাহতুত ফিরনিIt is shameful that perpetrators are now taking the law in their own hands, unfazed by the police and media presence.
Such unlawful acts have no place in our constitutional democracy.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) April 16, 2023
শনিবার জেল হেফাজতে থাকা আতিককে পুলিশ প্রহরায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল হাসপাতালে। সামনে ছিল সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। আচমকা আতিক ও তার ভাই আশরফকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় দুষ্কৃতিরা। একেবারে পুলিশের সামনেই গুলি চলতে যায়। ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মুখ খুলেছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতারাও। কপিল সিব্বল বলেছেন, শনিবার রাতে দুটো খুন হয়েছে। এক, আতিক আহমেদ ও আশরাফ। এবং দুই, আইনের শাসন।
উত্তরপ্রদেশে নৈরাজ্য এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে, এবার সরব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রবিবার সকালের এবিষয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল মুখপাত্র। তিনি বলেন, পুলিশি হেফাজতের মধ্যে আবার ভয়ঙ্কর হত্যাকান্ড। গোটা রাজ্যের সব জেলায় ১৪৪ ধারা। উত্তরপ্রদেশে ৩৫৬ ধারার পরিস্থিতি কি হয়নি? বিজেপি কী বলে? একইসঙ্গে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র। তাঁর কথায়, সত্যপাল মালিকের সাক্ষাৎকার থেকে নজর ঘোরাতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।



