নজরবন্দি ব্যুরো: দীর্ঘ সাত ঘন্টা অতিক্রান্ত। এখনও ইডির হাত থেকে রেহাই পেলেন না তৃণমূল যুবনেত্রী সায়নী ঘোষ। এদিন সকাল ১১টা বেজে ২১ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে আসেন তিনি। বেলা ১২টা থেকে জেরা শুরু হয়েছে ধরে নিলেও সন্ধ্যা ৭টার পর্যন্ত অর্থাৎ সাত ঘন্টা কেটে গেলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডেরা থেকে বেরোননি সায়নী ঘোষ। সূত্রের খবর, সায়নীর সব উত্তরে খুশি নয় ইডি।
আরও পড়ুন: হদিশ মিলল সায়নীর, নির্ধারিত সময়ের আগেই ED দফতরে যুব তৃণমূলের নেত্রী


প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত করতে গিয়ে ধৃত কুন্তল ঘোষের সূত্র ধরেই উঠে আসে সায়নী ঘোষের নাম। ইডি আজ চার পাতার প্রশ্নমালা সাজিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে বলে সূত্রের খবর। মূলত, সায়নীর সম্পত্তি ও আর্থিক লেনদেনের সমস্ত নথি যাচাই করতে চায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই কারণেই আজ যুবনেত্রীকে তাঁর আয়কর ফাইল, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে আসতে বলা হয়। যদিও আজ ইডির মুখোমুখি হবার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সায়নী বলেন, তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার।

এর আগেও দেখা গিয়েছে, ইডি হোক বা সিবিআই, তাঁদের জেরা চলে অন্তত ৭-৮ ঘন্টা। তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কয়লা পাচার কান্ডে তলব করেও দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই বা ইডির এই ধরনের কার্য করণ পদ্ধতি সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ওয়াকিবহাল। আজও তার অন্যথা হল না। সাত ঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনও মুক্তি পেলেন না সয়নী ঘোষ।



প্রসঙ্গত, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন সায়নী। মঙ্গলবার ইডি তলব করার পর মাঝের দু’দিন সম্পূর্ণ উধাও ছিলেন তিনি। সায়নীকে তলবের প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রথম সারির একাধিক নেতানেত্রী অভিযোগ এনেছেন, পঞ্চায়েতের আগে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার জন্যই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করছে বিজেপি। পাল্টা বিজেপির দাবি, ইডি বা সিবিআই একটি স্বশাসিত সংস্থা, তাঁদের নিয়ন্ত্রণের অধিকার কারুর নেই, সায়নীর বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলেই তলব হয়েছে। এখন সায়নীকে ইডি কখন ছাড়ে সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
দীর্ঘ সাত ঘন্টা অতিক্রান্ত, এখনও ইডির হাত থেকে রেহাই পেলেন না সায়নী!








