নজরবন্দি ব্যুরো: রাজনীতির ময়দানে বিরোধী পক্ষের নেতাদের নামে বরাবরই কু-মন্তব্য করে থাকেন নেতা মন্ত্রীরা। কিন্তু বাংলায় নির্বাচনের আগে সেই মাত্রা ছড়িয়ে গেছে ব্যাক্তিগত স্তর পর্যন্ত। এর আগেও অভিষেক বন্দোপাধ্যায় কে একাধিক বার ব্যাক্তিগত স্তরে আক্রমণ করেছেন বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা। এবার বিজেপিরই আরেক নেতা সায়ন্তন বসু আক্রমণ করে বসলেন বীরভূমের কেষ্ট দাকে। মহিষাসুর অনুব্রত!!
আরও পড়ুনঃ জল্পনা উস্কে ফের রাজভবনে দাদা!


তবে শুধু আক্রমণেই থেমে থাকেননি তিনি। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবার তৃণমূলের নেতাদের নিয়ে খেলবেন বলে শাসিয়েও এসেছেন বোলপুর থেকে। বোলপুর কেষ্টদার গড়, রাজনীতিতে যাই ঘটে যাকনা কেনো, এখন বীরভূম- রাজনীতি বলতে আম জনতা বোঝে অনুব্রত মণ্ডলকেই। আর সেই গড়েই দাঁড়িয়ে অনুব্রত কে রাজনীতির সীমা ছড়িয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বসলেন সায়ন্তন।
মহিষাসুর অনুব্রত! অনুব্রত মণ্ডলকে সায়ন্তন এদিন ভরা সভা মঞ্চ থেকে মহিষাসুর বলে সম্বোধন করেন। বলেন আয়োডিস্ক এনে রাখতে ভোটের আগেই। আর সেই কারণ বলতে গিয়েই আরো বড় বোমা ফাটিয়ে ফেলেছে তিনি। বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে। বিষয় ছিল বীরভূমে একদফায় ভোট হওয়া নিয়ে, সেই সপক্ষে বলতে গিয়ে বিজেপি নেতা জানান যত বেশি লোক, তত বেশি আধা সেনা আসবে। আর তাঁরা তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বল বানিয়ে ছক্কা হাঁকাবেন।
শুধু তাই নয় বোলপুরের সভা থেকে তিনি দলের কর্মীদের চাঙ্গা করতে বলেন যাদের নামে খুনের মামলা আছে তাদের নাম কেন্দ্রীয় বাহিনীর পকেটে দিন, তাঁদের টার্গেট করে পিটাই হবে। সমর্থক মা বোনদের, যুব এবং মহিলা মোর্চার সদস্যাদের বলেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখলেই গলায় মালা দিন। এতদিন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা বলে এসেছেন খেলা হবে। দলের এই স্লোগানকে দায়িত্ব নিয়ে প্রচার এর জনপ্রিয় করেছেন অনুব্রত নিজে। আর তাঁর গড়ে দাঁড়িয়ে রীতিমত হুঙ্কার ছেড়ে সায়ন্তন জানিয়েছেন এবার খেলবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আরো একধাপ এগিয়ে বলেন চোখ লাল করে তাকালে চোখ তুলেও নিতে পারেন তাঁরা।


সায়ন্তনের এই মন্তব্যের পর স্বাভাবিক ভাবেই একাধিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠেছে কিসের ভিত্তিতে একজন বিজেপি নেতা অপর রাজনৈতিক দলের কর্মীদের পেটানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর নাম বলছেন। নাকি সভা মঞ্চ থেকে কর্মীদের চাঙ্গা করতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফেললেন তিনি?







