তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদে থাকছেন না শতাব্দী

তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদে থাকছেন না শতাব্দী

নজরবন্দি ব্যুরো: তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদে থাকছেন না শতাব্দী । চারদিন আগেই হঠাৎ ‘বেসুরো’ হয়ে উঠেছিলেন শতাব্দী রায়। কিন্তু অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর ‘দলের সঙ্গে আছি’ বলে জানিয়ে দেন তিনি। কিন্তু তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদে আর তিনি থাকতে চান না বলে জানিয়ে দিলেন বীরভূমের তৃণমূল সংসদ শতাব্দী রায়। রবিবার রামপুরহাটে শতাব্দী বলেন, “পর্ষদে মতামত দেওয়ার কোনও জায়গা আছে বলে আমার মনে হয় না। যদি রবিবার রামপুরহাটে শতাব্দী বলেন, “পর্ষদে মতামত দেওয়ার কোনও জায়গা আছে বলে আমার মনে হয়না। যদি কোনও কাজের ক্ষেত্রে আমি কোনও বিষয়ে আলোচনা করতে না পারি, যদি আমার কোনও মতামত নেওয়া না হয় তাহলে পদটা আটকে রেখে কী করব?”

আরও পড়ুন: বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, ফাঁস করেই দলের কাছে ধমক খেলেন সৌমিত্র

চারদিন আগেই তাঁর নিজের সাংসদ এলাকায় কাজ করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে সমাজমাধ্যমে ক্ষোভের কথা জানিয়েছিলেন শতাব্দী। তারপরেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা দানা বাঁধে। শুক্রবার রাতে শতাব্দী রায়ের সঙ্গে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরে শতাব্দী তৃণমূলেই থাকবেন বলে শনিবার জানান। এই পর্বের পরে রবিবার সকালে রামপুরহাটে আসেন তিনি। এদিন রামপুরহাটে ট্রেন থেকে নামার পরে দলীয় কর্মীদের মধ্যে কোনও উচ্ছাস দেখা যায়নি।

তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদে থাকছেন না শতাব্দী। পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে পর্ষদ গঠিত হওয়ার সময় থেকেই শতাব্দী রায় তার সদস্য। আশিসবাবু জানান, এর আগে শতাব্দী রায় অনেক বৈঠকে নিজে উপস্থিত থেকেছেন। তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থেকেছেন শতাব্দী। তাঁর দাবি, ‘‘করোনা আবহে দীর্ঘদিন তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের বৈঠক হয়নি। গত ১১ জানুয়ারি বৈঠকেও শতাব্দী রায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।’’

তবে তাঁকে যে বৈঠকে ডাকা হয় সে কথা জানিয়েছেন শতাব্দী নিজেই। তবে ডাকতে হয় তাই ডাকা হয় বলে দাবি করেন তিনি। আশিসবাবু বলেন, ‘‘কী কারণে উনি সরে যেতে চাইছেন সেটা সঠিক ভাবে জানতে হবে। তবে ওঁর যদি কোনও মতামত থাকে সেটা অবশ্যই বৈঠকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হবে।’’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x