আইপিএলে ধোনি নেই—তবুও থামেনি চেন্নাই সুপার কিংস। বরং এক তরুণ তারকার ব্যাটেই এলো মরসুমের প্রথম জয়। দুরন্ত সেঞ্চুরি করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন সঞ্জু স্যামসন। তাঁর ৫৬ বলে ১১৫ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে ভর করে চেন্নাই সুপার কিংস ২৩ রানে হারাল দিল্লি ক্যাপিটালস-কে।
চলতি আইপিএলে টানা ব্যর্থতার পর অবশেষে ছন্দে ফিরলেন সঞ্জু। আগের তিন ম্যাচে বড় রান না পেলেও, এই ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন তিনি। ১৫টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কায় সাজানো তাঁর ইনিংস শুধু ম্যাচ জেতায়নি, এনে দিয়েছে চলতি মরসুমের প্রথম শতরানের সম্মানও।


সঞ্জুর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন আয়ুষ মাত্রে। ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অবসর নেন তিনি। তাঁদের জুটিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১২ রানের বড় স্কোর তোলে চেন্নাই। যদিও ম্যাচের মাঝপথে দিল্লির ফিল্ডার পাথুম নিশঙ্কা একটি সহজ ক্যাচ ফেলায় সঞ্জু জীবনদানের সুযোগ পান—যা পরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে দিল্লি। ওপেনিং জুটি দ্রুত ভেঙে যায়। অক্ষর পটেল নেতৃত্বে দলটি নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। যদিও ট্রিস্টান স্টাব্স ৬০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না।
চেন্নাইয়ের হয়ে বল হাতে নজর কাড়েন জেমি ওভারটন। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচ কার্যত নিজের দলের দিকে টেনে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত দিল্লি অলআউট হয়ে যায় ১৮৯ রানে।


উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ম্যাচেও খেলতে পারেননি এম এস ধোনি। কাফ মাসলের চোটের কারণে এখনও বাইরে রয়েছেন তিনি। তবে পরবর্তী ম্যাচে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
ম্যাচের পর সঞ্জু বলেন, “ফ্র্যাঞ্চাইজ়ি যেভাবে আমার উপর আস্থা রেখেছে, সেটা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমরা খুব অল্প সময়ের মিটিং করেও নিজেদের পরিকল্পনায় স্থির ছিলাম, সেটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।”
এই জয়ে সিএসকে তাদের প্রথম জয় পেলেও পয়েন্ট টেবিলে এখনও পিছিয়েই রয়েছে। অন্যদিকে দিল্লিও নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। এখন নজর পরবর্তী ম্যাচে—যেখানে চেন্নাইয়ের লক্ষ্য এই ছন্দ ধরে রাখা।








