বসিরহাট কেন্দ্রে বিজেপি সন্দেশখালির প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে টিকিট দিয়েছে। আর তা নিয়ে প্রথমেই শুরু হয় বিতর্ক। সন্দেশখালিরই একাংশ প্রতিবাদ জানায়, তাঁদের বক্তব্য রেখা পাত্রকে প্রার্থী হিসাবে তাঁরা মানবেন না। এরপরই আসরে নামেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সরাসরি ফোন করেন রেখাকে। সম্বোধন করেন ‘শক্তিস্বরূপা’ নামে। আর এরপরই বিতর্ক ভুলে রেখাকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে মাতল সন্দেশখালি!
আরও পড়ুন: নারদ মামলায় ফের সক্রিয় CBI, ভোটের মুখে নিজামে তলব ম্যাথু স্যামুয়েলকে
রেখা পাত্রের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বিজেপি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা যায়। হাতে লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ জানান সন্দেশখালির বাসিন্দারা। এরপর রেখার কাছে ফোন আসে নরেন্দ্র মোদীর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রথমেই আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই। সন্দেশখালির মা-বোনদের আশীর্বাদ রয়েছে আপনার সঙ্গে। আপনি বড় দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন। আপনি বাংলার বিপরীত রাজনৈতিক পরিসরে প্রচার করছেন।”

এরপর রেখার আছে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান মোদী। উত্তরে রেখা বলেন, “সন্দেশখালির মা-বোনদের সাথে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। দোষীরা জেলে আছে। আমরা চাই দোষীদের শাস্তি হোক। ২০১১ সাল থেকে আমরা ভোট দিতে পারিনা।” তখনই মোদী রেখাকে ‘শক্তিস্বরূপা’ বলে সম্বোধন করে বলেন, “আপনার জন্যই কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদীরা আজ জেলে। একজন জনপ্রতিনিধি হবার সমস্ত গুণ আপনার মধ্যে আছে।”

প্রধানমন্ত্রীর একটা ফোন, বিতর্ক ভুলে রেখাকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে মাতল সন্দেশখালি!
বুধবার সন্দেশখালিতে প্রচারে নামেন রেখা। ধামাখালি থেকে বোটে করে সন্দেশখালিতে উপস্থিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই গেরুয়া কর্মীরা মালা পরিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান। রেখাকে ঘিরে মানুষের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো। অন্যদিকে, যারা রেখার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন দিন দুয়েক আগেই, তাঁরা ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, তৃণমূল ভুল বোঝানোর জন্যই প্রতিবাদ করেছিলাম। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তাঁরা রেখার পাশে থাকবেন বলেই জানিয়েছেন।




