নজরবন্দি ব্যুরোঃ নতুন বছরের শুরু থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে সৈন্য বাড়াতে শুরু করেছিল মস্কো। যত সময় এগিয়েছে ততই তিক্ত থেকে তিক্ততর হয়েছে দুই দেশের সম্পর্ক। অনেকেই মনে করেছিল যুদ্ধ এবার সময়ের অপেক্ষা। অবশেষে বাজল কৃষ্ণসাগরে রনডঙ্কা। আজ সকালে এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
আরও পড়ুনঃ Rohit Sharma : কে হবে দলের পরবর্তী অধিনায়ক? হিটম্যানের নজরে তিন তারকা


আজ রুশ প্রেসিডেণ্ট বলেন, “ আমরা ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তবে এখানেই না থেমে তিনি আরও জানান, ইউক্রেনের মাটিতে যারা রাশিয়ার এই অভিযানের বিরোধিতা করবে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠিন থেকে কঠিনতর পদক্ষেপ নেবে মস্কো। পাশাপাশি ইউক্রেন সেনাকে ও আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন তিনি।
উল্লেখ্য, গতকালই নাকি মস্কোর কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল ইউক্রেন বিদ্রোহীরা। তারপরেই ময়দানে নেমে পড়ে পুতিন সরকার। অপরদিকে, মাঝরাতে যুদ্ধ বিরতির আর্জি নিয়ে রাশিয়ার কাছে আবেদন করতে চেয়েছিল ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। কিন্তু পুতিনের সঙ্গে একাধিকবার সংযোগের চেষ্টা করলেও নাকি কোনও উত্তর মেলেনি অপর প্রান্ত থেকে।
কৃষ্ণসাগরে রনডঙ্কা, ইউক্রেন অভিযানের পথে রাশিয়া

অগত্যা নিজেদের বিমান পরিষেবা বন্ধ করে দেয় ইউক্রেন সরকার। তবে খুব একটা সুবিধা মেলেনি তাদের। ডনবাসের দিকে আছড়ে পড়তে থাকে একের পর এক মিসাইল। তবে এসবের জন্য পুতিন কে নিয়ে সমালোচনায় সরব হল বাইডেন সরকার। মার্কিন প্রেসিডেণ্ট বলেন, “গোটা বিশ্বের সমস্ত মানুষ ইউক্রেনের বাসিন্দাদের জন্য প্রার্থনা করছেন। বিনা প্ররোচনাতেই এবং অনৈতিকভাবে রাশিয়া ইউক্রেনের উপরে হামলা চালিয়েছে। যে বিপুল প্রাণহানি ও ধ্বংস হতে চলেছে, তার জন্য একান্তভাবেই রাশিয়া দায়ী থাকবে।”









