নজরবন্দি ব্যুরোঃ অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ আলু, পেঁয়াজ, ডাল বাদ দিল কেন্দ্র! লোকসভার পর বিল পাস হল রাজ্যসভাতেও। এবার অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে কেন্দ্রীয় সরকার বাদ দিল আলু, পেঁয়াজ, ডাল, তৈলবীজ এবং দানাশস্য কে! কেন্দ্রের দাবি উৎপাদন বেশি হওয়ায় মজুতদারি রুখতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে আলু, পেঁয়াজ, ডাল, তৈলবীজ এবং দানাশস্য কে!
আরও পড়ুনঃ মুসলিম হওয়ায় অমানবিক আচরণ শিক্ষকদের সাথে। গ্রেফতার ৩ জন।


অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের তালিকা থেকে বাদ আলু, পেঁয়াজ! আজ কার্যত বিরোধীশূন্য রাজ্যসভায় পাশ হয়ে গেল তৃতীয় কৃষিবিল। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনের সংশোধনী বিল পাশ করানো হল এদিন। গত ১৫ই সেপ্টেম্বর লোকসভায় বিলটি পেশ করা হয়েছিল। আজ বিলটি পেশ করা হয় রাজ্য সভায়। কার্যত বিরোধীশূন্য সংসদের উচ্চকক্ষে বিলটি পাশ হল বিনা বাধায়। কারণ, আটজন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রতিবাদে রাজ্যসভার অধিবেশন বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী শিবির। এবার অপেক্ষা রাষ্ট্রপতির সই এর।
এই বিল নিয়ে চাপান উতোর চলছে সারা দেশ জুড়ে। রাজ্য সভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ সিংহের সামনে বিক্ষোভ দেখানোয় তৃণমূলের ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেন, কংগ্রেসের রাজীব সাতভ সহ প্রতিবাদী আট জন সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কেন্দ্র কে নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তিনি গতকাল বলেছেন, “রাজ্যসভায় গতকাল যা ঘটেছে, তাতে কৃষকদের জন্য তৃণমূল–সহ অন্যান্য বিরোধী দল সংসদে যে বিক্ষোভ দেখিয়েছে তাতে আমি গর্বিত। আমি কিন্তু এটা মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়, একটা পার্টির চেয়ারপার্সন হিসেবেও বলছি। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা ওখানে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেছে। মুখ বুজে বসে থাকাটা বিরোধীদের কাজ নয়। তাও ক্ষমতার জোরে গায়ের জোর দেখিয়ে ডিভিশন না দিয়ে বিল পাশ করেছে বিজেপি।”


তার কথায়, “দেশকে দুর্ভিক্ষের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। করোনা ঠেকাতে পারল না। খাদ্যের মহামারী নিয়ে এল। এক দিকে করোনা, তার উপর বিজেপির এই বুলডোজ করা বিল ‘মরোনা’। কৃষক বিল যে ভাবে পাশ করা হয়েছে। আমি বলি ছিঃ ছিঃ। বিজেপি দেশের লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা।”
কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীও সুর চড়িয়েছেন একই প্রসঙ্গে। রাহুল বলেছেন, ‘‘গণতান্ত্রিক ভারতের রূপান্তর প্রক্রিয়া অব্যাহত। প্রথমে চুপ করিয়ে। এর পর সাংসদদের সাসপেন্ড করে, কৃষকদের অন্ধকারে রেখে কালা আইন পাশ করিয়ে। এই সর্বজ্ঞ সরকারের সীমাহীন অহংবোধ দেশকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।”








