১২ ঘন্টার ম্যারাথন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর স্মরণ বিজিটিএ-র।

১২ ঘন্টার ম্যারাথন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর স্মরণ বিজিটিএ-র।

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ১২ ঘন্টার ম্যারাথন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর স্মরণ বিজিটিএ র। ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারকে যথাক্রমে ৫ লাখ ও ২ লাখ টাকা আর্থিক সাহায্য তো ছিলই, সঙ্গে ছিলো সারা রাজ্য জুড়ে অসহায় মানুষের পাশে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে থাকা। এহেন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রাজ্যের অন্যতম অরাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠন আজ টানা ১২ ঘন্টা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১৩০ তম প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করলো।

আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, ১০ই আগস্ট করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আনছে রাশিয়া।

বিজিটিএ সদস্যাদের দ্বারা আয়োজিত ও পরিবেশিত “নারী শিক্ষার প্রসার ও নারী শক্তির উত্থানে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা” অনুষ্ঠানটি আলাদা করে সকলের নজর কাড়ে। তারামনী পাল,শ্রাবণী দত্ত,সুদীপ্তা নন্দি,সুমনা চক্রবর্তী, অন্তরা বিশ্বাস, সঞ্চিতা হালদার ও রাজ্যের সমস্ত জেলা থেকে আরও অনেকেরই পরিবেশনা অত্যন্ত মনোগ্রাহী হয়ে ওঠে। রাজ্য সম্পাদক সউরেন ভট্টাচার্য বলেন,” যে হার না মানা মানসিকতা বিদ্যাসাগর আমাদের সামনে উদাহরণ রেখে গেছেন,আমরাও সেই উদাহরণকেই পাথেয় করে আমাদের টিজিটি স্কেল সহ নানা দাবির ক্ষেত্রে হার না মানা মানসিকতাই বজায় রাখবো।”

১২ ঘন্টার ম্যারাথন ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বিদ্যাসাগর স্মরণ বিজিটিএ র। রাজ্য সভাপতি ধ্রুবপদ ঘোষাল বলেন,” সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য, শিক্ষক হিসেবে মেরুদণ্ড সোজা রেখে যে আপোষহীন লড়াই বিদ্যাসাগর করেছিলেন,আমরাও অরাজনৈতিক শিক্ষক সংগঠন হিসেবে শিক্ষা ও শিক্ষকদের দাবী আদায়ের ক্ষেত্রে সেই আপোষহীন লড়াই ই চালিয়ে যাবো,সরকারে যে দলই থাকুক না কেন।”সমগ্র অনুষ্ঠান দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন রাজ্য কমিটির সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার শুভাশিস সাহা ও বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অভিজিৎ দাস।

অন্যদিকে বিজিটিএ শিক্ষক সংগঠনের অন্যতম সদস্য রত্নদীপ সামন্ত এক বার্তায় জানিয়েছেন, ১৫ ই মে,২০১৯। স্থান কলকাতা। ভেংগে ফেলা হলো বিদ্যাসাগরের মূর্তি। জঘন্য রাজনীতির নোংরা ফসল কুড়োলাম আমরা সাধারণ মানুষ। পেরিয়ে গেছে ১ বছরেরও বেশী সময়। বিদ্যাসাগরের মতো প্রতিবাদী মানুষের এহেন চরম অপমানের বিচার হলো কই??? এ বছর ওনার দ্বি শততম বর্ষ জন্মদিবস। আর আজ ওনার ১৩০ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালনের দিনে, গত ১৫ ই মে, ২০১৯ এ আমার লেখা এই কবিতাটি আর একবার দিলাম। প্রকৃত বিজিটিয়ান হিসেবে,শিক্ষক হিসেবে জারি রাখলাম প্রতিবাদ।নিবেদন করলাম শ্রদ্ধা।—-আমার মুর্তি ভাংগা হয়েছে – রটাচ্ছে কোনজন? / চুপি চুপি আসল কথাটা বলি ওরে শোন। / আমার মুর্তি ভাংগেনি কোন লুম্পেন বা হনুমান, আসলে নিজেই নিজেকে ভেংগে বাঁচিয়েছি সম্মান। / মন খারাপের কী আছে এতো তাতে? / শুধু মুর্তিটাই তো ভেংগেছে ওপাশের গেটে। / “দানবীর”,” দয়ার সাগর ” তবু আমি দিনের শেষে, / “বিদ্যাসাগর” কে রেখেছে যারা হৃদয়ের পাশে। /তবু যারা চিনতে পারেনি,কথা হয়নি তো সাক্ষাতে, / একটা করে “বর্ণপরিচয়” দিস নাহয় ওদের হাতে….!!!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

x