নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থতার কারণে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আদালতের তরফে ইতিমধ্যেই অনুমতি পাওয়া গিয়েছে। এরইমধ্যে এক বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে। কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় বাধা দেন এমএসভিপি।
আরও পড়ুন: বড়বাজারে শাড়ির দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, জনবহুল এলাকায় আগুনের আতঙ্ক


সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা যায় কিনা তা জানার জন্য ইএসআই হাসপাতালে মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইডির আবেদনে গত শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতের বিচারক তা মঞ্জুর করেন। এরপরই তৎপর হয়ে ওঠেন তদন্তকারীরা। আদালতের অর্ডার কপিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, গত অক্টোবর মাসের ২৬ তারিখ কণ্ঠস্বরের নমুনা নেওয়ার প্রস্তুতি এক প্রকার চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কালীঘাটের কাকু থেকে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকেরা সকলেই এতে রাজি ছিলেন। অর্ডারে উল্লেখ করা ছিল, এইসবের মাঝে হঠাৎ এমএসভিপি সেই প্রক্রিয়ায় বাধা দেন। বিচারকের ‘সন্দেহের তালিকায়’ এসেছে এসএসকেএম হাসপাতাল ও সেখানকার এমএসভিপির ভূমিকা।
![]()
গত ৩০ মে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার অভিযুক্ত হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারির পর থেকে ১২ বার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। গত আগস্ট মাসে তাঁর বাইপাস সার্জারি হয়েছে। এরপরই ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে ভর্তি করা হলে এখনও সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন কালীঘাটের কাকু।



চলতি মাসের শুরুতেই কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করা যেতে পারে কবে, তা জানতে চেয়ে এসএসকেএমের চিকিৎসকদের কাছে চিঠি দিয়েছিল ইডি। তার আগেও বারংবার কাকুর গলার স্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে গিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে গোয়েন্দাদের। অথচ তদন্তের স্বার্থে কাকুর গলার স্বরের পরীক্ষা করা শীঘ্রই প্রয়োজন। আদালতের তরফে কাকুর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু বলা হয়েছিল, কাকুর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করেই ইডি অফিসারদের যা করার তা করতে হবে। এবার মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের নির্দেশ পাওয়ার পরই তৎপরতা বেড়েছে ইডির।
কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীক্ষায় ‘বাধা’ SSKM! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে








