নজরবন্দি ব্যুরোঃ সুশান্তের মৃত্যু মামলায় তৎপরতার সাথে এগোচ্ছে সিবিআইয়ের তদন্ত। রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে সামনে এসেছে নতুন তথ্য। ইডি সূত্রে খবর, রিয়া চক্রবর্তীর ফোন থেকে পাওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে বোঝা যাচ্ছে ড্রাগ ডিলার দের সাথে যুক্ত ছিলেন অভিনেত্রী। হোয়াটসঅ্যাপে রিয়ার ভাই সৌভিক চক্রবর্তী, সুশান্তের ম্যানেজার স্যামুয়েল মিরান্ডা এবং হাউস স্টাফ দীপেশ সাওয়ান্তের মধ্যে এই বিষয়ে কথা বার্তা ইডির হাতে এসেছে।
আরও পড়ুনঃ দিশা সালিয়ানের মৃত্যু রহস্যে নয়া মোড়, মৃত্যুর পরেও তাঁর ফোন থেকে কল করছিল কে?
এর থেকে ধারণা করা যাচ্ছে রিয়া সহ এরা সকলেই ড্রাগ ডিলিং এর সাথে যুক্ত ছিলেন এবং নিজেরাও ড্রাগ নিতেন। সিবিআই এবং নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর আধিকারিকরা মনে করছেন সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্যজনক মৃত্যুতে ড্রাগের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা সুশান্তকেও এই ড্রাগ দেওয়া হতো তার জেরেই ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। ড্রাগের বিষয়টির উপর তদন্তে জোর দিচ্ছে সিবিআই।
এছাড়াও সামনে এসেছে আধ্যাত্মিক গুরু মোহন যোশীর। ইতিমধ্যে মোহন যোশীকে তলব করা হয়েছে। জানা গেছে এই আধ্যাত্মিক গুরু মোহন যোশী রিয়ার কথায় সুশান্তের কাউন্সেলিং করেছিলেন। মুম্বাইয়ের এক বিলাসবহুল হোটেলে রিয়া এবং সুশান্তের সঙ্গে তিন দিন ছিলেন তিনি। আর সেখানেই সুশান্তকে কাউন্সেলিং করতেন তিনি। মোহন যোশী জানিয়েছেন কাউন্সেলিং-এর পর সুশান্ত অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি জানান নভেম্বর ২০১৯ -এ সুশান্তের সাথে তাঁর দেখা হয়। মোহন যোশীকে জিজ্ঞেসা বাদ করছে সিবিআই।
সুশান্তের মৃত্যুর সাথে তাঁর কোন যোগসূত্র আছে কি না তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। জিজ্ঞেসাবাদের মাধ্যমে আধ্যাত্মিক গুরু জানিয়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুতকে তিনি চিনতেন না। কিন্তু রিয়া চক্রবর্তী প্রায় তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতো। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তে মোহন যোশীর বয়ান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।








