নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা রত্না ঘোষের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা রত্না ঘোষের। ভোটের টিকিট না পেয়ে শাসকদলের একাধিক নেতা মন্ত্রী এখন পা বাড়িয়ে বিজেপি শিবিরের দিকে। তবে অন্যদল নয় নিজের মন্ত্রিপদ থেকে ইস্তফা দিলেন রত্না ঘোষ কর। সূত্রের খবর, রবিবার রাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ইস্তফা পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। তবে মন্ত্রিত্বে ইস্তফা দিলেও বিধায়ক পদে ইস্তফা দিচ্ছেন না তিনি।

আরও পড়ুনঃ কান্না ভুলে আজই পদ্ম শিবিরে যোগদান সোনালীর।

এমনকী দল ছাড়ার বিষয়েও কোনও সিদ্ধান্ত নেননি চাকদার বিদায়ী বিধায়ক। গত বিধানসভাতেই চাকদায় জয়লাভ করে সদ্য পদত্যাগী এই প্রতিমন্ত্রী। প্রথমে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই না পেলেও পরে ক্ষুদ্র -মাঝারি শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী করা হয় তাঁকে। কিন্তু মন্ত্রী হিসেবে তাঁর কাজকর্মে খুশি ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ ছিলেন। গত ৫ বছরে বিধায়ক উপরন্তু মন্ত্রী থেকেও এলাকার জন্য কোনও উন্নয়নমূলক কাজকর্ম করেননি বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি তৃণমূলের নিচুতলার নেতা-কর্মীরাও রত্না ঘোষের কাজকর্ম নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।

বর্তমান সরকারের যে পাঁচ মন্ত্রী টিকিট পাননি তাদের মধ্যে অন্যতম রত্না। তিনি ছিলেন  রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের প্রতিমন্ত্রী। তাঁর জায়গায় এবারে শাসকদলের প্রার্থী হয়েছেন রানাঘাট উত্তর-পশ্চিমের বিধায়ক শঙ্কর সিংহের ছেলে শুভঙ্কর সিংহ ওরফে যীশু। প্রসঙ্গত টিকিট না পাওয়া নিয়ে প্রথম থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন তিনি। এদিকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলত্যাগ ও দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পালা বেড়েই চলেছে। রবিবারও দলীয় নেতৃত্বের বাছাই করা প্রার্থী নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করে দল ছেড়েছেন একাধিক নিচুতলার নেতা ও কর্মী। গাইঘাটার প্রার্থীকে মানতে না পেরে দলের সঙ্গে সম্পর্কছেদ করেছেন গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ ধ্যানেশ নারায়ণ গুহ।

নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে মন্ত্রীপদ থেকে ইস্তফা রত্না ঘোষের। একইসঙ্গে তৃণমূল থেকে আজ ইস্তফা দিলেন জেলা পরিষদ সদস্য সুভাষ রায়ও। প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের জেরে দল ছেড়েছেন শিলিগুড়ির তৃণমূল নেতা নান্টু পালও। যদিও তিন নেতার বিরুদ্ধেই দীর্ঘদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে গোপন সম্পর্ক রেখে চলার অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন