সিপিআইএম নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ অভিনেত্রী

অভিনেতা তথা সিপিআইএম বিধায়ক এম মুকেশের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন তাঁরই সহকর্মী-অভিনেত্রী মিনু মুনের।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল গোটা দেশ। প্রায় প্রতিদিনই এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় দেখা যাচ্ছে সিপিআইএম দলের নেতা-কর্মীদের। ঠিক একই সময়ে এক বাম বিধায়কের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনলেন এক তরুণী! ঘটনা কেরলের। অভিনেতা তথা কোল্লামের সিপিআইএম বিধায়ক এম মুকেশের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন তাঁরই সহকর্মী-অভিনেত্রী মিনু মুনের। মুকেশের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। শুধু মুকেশই নয়, মালায়লম ফ্লিম ইন্ডাস্ট্রির আরও বেশ কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ এনেছেন মিনু।

যেহেতু এই ঘটনা অনেকদিন আগের। তাই পুলিশের তরফে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বদলে আইপিসি ধারাতেই মামলা রুজু করা হয়েছে। মুকেশের বিরুদ্ধে আইপিসি ৩৭৬(১) ধারায় ধর্ষণ, ৪৫২ ধারায় অযাচিতভাবে বাড়িতে প্রবেশ, ৫০৯ ধারায় মহিলা নির্যাতন এবং ৩৫৪ ধারায় জোরপূর্বক সঙ্গমের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রতিটিই জামিন অযোগ্য। তবে, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হননি বাম বিধায়ক। কেরল পুলিশের তরফে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছে। চলছে তদন্ত।

এই অভিযোগের পর যথেষ্ট চাপের মুখে মুকেশ। তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সরব বিরোধীরা। আর শুধু বিরোধীরাই নয়, সিপিআই নেতা এবং ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান উইমেন (এনএফআইডব্লিউ)-এর সাধারণ সম্পাদক অ্যানি রাজাও অভিনেতার পদত্যাগ দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “মুকেশের বিধায়ক হিসাবে চালিয়ে যাওয়ার নৈতিক অবস্থান নেই।”

তবে, কেরলের বামফ্রন্ট সরকার জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, তদন্তের ফলাফল অনুযায়ী মুকেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুকেশের এক ঘনিষ্ঠ সহযোগী জানিয়েছেন, দল তাঁকে পদত্যাগ করতে বলেনি। সূত্রের খবর, আজ সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে দেখা করেছেন মুকেশ। উল্লেখ্য, কেরলের আর এক পরিচালক রঞ্জিত বালাকৃষ্ণের বিরুদ্ধে মিটু এনেছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। ঠিক সেরকমই অভিযোগ মুকেশের বিরুদ্ধে। যদিও তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, অভিযোগকারিণী তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতেই এই কাজ করেছেন।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত