নজরবন্দি ব্যুরোঃ বীরভূমের রামপুরহাটের তৃণমূল উপপ্রধানের মৃত্যুতে রণক্ষেত্র রামপুরহাট। বগটুই গ্রামের একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এবার সেই ঘটনার আঁচ গিয়ে পড়ল বিধানসভায়। শুরুতেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। এমনকি বিধানসভা ওয়াকআউট করেন তাঁরা। এবার রামপুরহাটের ঘটনাকে আরও একটি ছোট আঙারিয়া বলে দাবী করেন তিনি।
নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক বলেন, রামপুরহাটের গণহত্যা, গণদাহ তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে হয়েছে। এক সপ্তাহে রাজ্যে ২৬ জনের খুন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর উচিত ছিল বিধানসভায় সমস্ত এসে বলা। মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর সরকার এই বিধানসভাকে মানেন না। সেইকারণে সিট গঠন, সেই কারণে এসডিপিওকে সরানো হয়েছে। এমনকি রামপুরহাটের ওসি ক্লোজড। নবান্ন থেকে জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, বিধানসভা চলাকালীন সরকারের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বিধানসভায় এসে বলতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী সেটা করেননি। তাই বিজেপির ৫০ জন বিধায়ক মিলে মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গার নেতৃত্বে ধর্না চালিয়েছে। যতক্ষণ না অবধি পুলিশমন্ত্রী ইস্তফা দিচ্ছেন। তৃণমূল উপপ্রধান বালি মাফিয়া, বোমা মেরে তাঁকে মৃত্যুর ঘটনা এনআইএকে দিতে হবে। এটা আরও একটি ছোট আঙারিয়া আগুন লাগানোর ঘটনার কথা সিবিআইকে দিতে হবে। যতক্ষণ অবধি তা দেওয়া না হচ্ছে বিধানসভার কক্ষের বাইরে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালবীয় জানিয়েছেন, সোমবার তৃণমূল নেতা ভাদু শেখের মৃত্যুর এক ঘণ্টার মধ্যে সাত আটটি বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।সকালে একটি বাড়ি থেকে ৭ জনের মৃত্যু হয়। বাকি তিনজনের দেহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। তারপর থেকেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও একটি ছোট আঙারিয়া, বলছেন শুভেন্দু




