শুভেন্দু কে বড় নেতা বলে কটাক্ষ, …ধামাচাপা দিতে এসেছে সুকান্ত, হুঙ্কার রাজীবের!

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ হেস্টিংস বিজেপি পার্টি অফিস থেকে ‘গৃহহীন’ করা হয়েছে রাজীব কে। তাঁর ঘরের দুয়ারে জ্বলজ্বল করছে প্রিয়াঙ্কা টিব্রিওয়ালের নাম। মমতার বিপরীতে তাবড় তাবড় নেতাদের নাম পাশ কাটিয়ে গেরুয়া শিবির দাঁড় করিয়েছে প্রিয়াঙ্কাকে। ভবানীপুর জিততে মরিয়া গেরুয়া শিবির ‘২১ এর ভোটের মতোই হেস্টিংসে তৈরি করছে ওয়ার রুম। শুধু বাদ রাজীব। এদিন তিনি শুভেন্দু কে বড় নেতা বলে কটাক্ষ করেন।

আরও পড়ুনঃ অভিষেক এবং মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, পেনশন পেয়ে আপ্লুত ইরাদেবী জানালেন অপ্রাপ্তির কাহিনী।

বিধানসভা ভোটে বিজেপি এবং নিজের ভরাডুবি হওয়ার পর থেকেই তিনি তৃণমূলে ‘ঘর ওয়াপসি’র আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে কুণাল ঘোষের শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে সাক্ষাৎ। মমতার মনজয়ে চেষ্টার খামতি রাখেননি বিজেপি নেতা। তৃণমূলে ফিরে জনসেবার প্রহর গুনছেন তিনি। কিন্তু কোন কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। তৃণমূলে তাঁকে ফিরিয়ে নেওয়া নিয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন হাওড়ার নেতারা।

তাঁর অবস্থা কার্যত ‘না ঘর কা না ঘাট কা’,  তাই হাল ছাড়ছেন না তিনি, বরং তৃণমূলে ফিরে জনসেবার প্রহর গুনছেন রাজীব। বিজেপি থেকে পদত্যাগ না করলেও মমতা বন্দনার পাশাপাশি একদা সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারীর মুণ্ডপাত করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। শুভেন্দু কে বড় নেতা বলে কটাক্ষ করে তাঁর মন্তব্য, ‘‌তিনি(শুভেন্দু) অনেক বড় মাপের নেতা কিছু বলব না। কিন্তু, যাঁকে দেখে বাংলার মানুষ ২১৩টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেসকে জিতিয়েছে, তাঁকে ভোটের সময় যে সমস্ত সম্বোধন করা হয়েছিল, তা ঠিক নয়। আর আমি তখন এটারই প্রতিবাদ করেছিলাম।’‌

পাশাপশি বিজেপির নব নির্বাচিত রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও হুঙ্কার দেন তিনি। রাজীবের কথায়, গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে নতুন রাজ্য সভাপতি নিয়ে এসে সব বিষয়গুলি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল বিজেপি। কিন্তু কোন লাভ নেই উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুভেন্দু কে বড় নেতা বলে কটাক্ষ রাজীবের!

শুভেন্দু কে বড় নেতা বলে কটাক্ষ রাজীবের!

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন