নজরবন্দি ব্যুরো: ‘প্রাপ্য সন্মান পান না, কর্মীদের দুঃখ, হতাশা বুঝি,’ অবশেষে ফেসবুক লাইভে এলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তাঁর হাতিয়ার ছিল বাংলার যুব সমাজ। তিনি বলেন, বাংলার মানুষ ভালো থাকলে আমিও ভালো থাকব। যুবসমাজের পাশে দাঁড়াতে হবে। যুবরা চাকরি পাচ্ছে না দেখলে খারাপ লাগে। যুব সমাজকে দিশা দেখানোই লক্ষ্য। অনেকেই ভিন রাজ্যে বা বিদেশে জাচ্ছেন চাকরি করতে। কেন যুব সমাজের অগ্রগতিতে বাধা আসবে। এই যুব সমাজই দেশের ভবিষ্যৎ।
আরও পড়ুন: ফের অপসারণ, এবার জেলার চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারিত হলেন মোয়াজ্জেম হোসেন।


তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি করি মানুষের স্বার্থে। মানুষের জন্য কাজ করে যেতে হবে। কর্মীদের দুঃখ, হতাশা বুঝি। ওরা শুধু সন্মান চায়। কখনও কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করিনি। দল নেত্রীও কর্মীদের সন্মান দিতে বলেন। কর্মীদের সঙ্গে অন্যায় হলে মুখ খুলেছি। কর্মীরা অনেক সময় প্রাপ্য সন্মান পান না। দিশা দেখাতে সঠিক কথা বলেছি। কতিপয় নেতা ভুল ব্যখ্যা করেছেন। কিছু নেতা কাজ করতে দিচ্ছেন না। আমার কথা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমার কাজে বাধা দিলে কেন আলোচনা নয়। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের কাছে দায়বদ্ধ। মানুষই আমার জীবনে শেষ কথা।’
বনমন্ত্রীর বক্তব্য, দলের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছি। আমি কখনও ব্যক্তি স্বার্থে কথা বলি না। দলের স্বার্থেই আমি কথা বলি। আমার কথা বুঝলে দলের ভালো হবে। যখনই কথা বলেছি ওপেন ফোরামে বলেছি। ভোটের আগে কখনও নাটক করিনি। কাজে ভুল হতে পারে, চেষ্টার ত্রুটি রাখিনি। ক্ষোভ হলে নির্দিষ্ট জায়গায় জানিয়েছি।
‘প্রাপ্য সন্মান পান না, তিনি আরও বলেন, ‘২০২০ খারাপ গিয়েছে, ২০২১ ভালো কাটুক। টিকাকরণ শুরু হয়েছে, কোভিড জয় করব।’ বনমন্ত্রীর কথা, আমার রাজ্যের মেধা অন্য রাজ্যে নেই। যুব সমাজের আইকন স্বামীজি। আমি মনে করি যুব সমাজই পথ দেখাবে। বিনামূল্যে কোচিং সেন্টার চালু করেছি। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষণ। যুব সমাজকে বলব লক্ষ্যভ্রষ্ট না হতে। আগামিদিনে বাংলার বুকে শিল্প তৈরি করা যায়। সামনেই নেতাজির জন্মদিন।









