নজরবন্দি ব্যুরোঃ মমতার পরে এবার রাহুল সিনহা! নির্বাচনী প্রচারে বিভেদের রাজনীতি করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগে ২৪ ঘণ্টার জন্য তাঁর প্রচারে থাকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রচারে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে মমতার মন্তব্য ভাল চোখে দেখেনি কমিশন। নোটিস পাঠানো হয়েছিল দু’বার। তার পরেই গতকাল কমিশনের তরফ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তাঁর সভা এবং প্রচারের ওপর।


অতি আক্রমণাত্মক কথাবার্তা রাজ্যের নির্বাচনে হিংসা বাড়িয়ে দিতে পারে এমন সম্ভবনার কথা ভেবে তাঁকে ২৪ ঘণ্টা প্রচার থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আর এই নির্দেশের বিরুদ্ধে গতকাল থেকেই তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা। তার পরই আজ বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। মুখ্মন্ত্রীর ২৪ ঘন্টা প্রচার প্রচারের নিষেধাজ্ঞার পর এবার ৪৮ ঘন্টা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে কমিশন।
চতুর্থ দফার ভোটের দিন শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন ৫ জন সাধারণ মানুষ। তার প্রতিবাদে যখন তীব্র ক্ষোভ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন রাজ্যের মানুষ, তখনই একের পর এক বিজেপি নেতা বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। কেউ বলেছেন জায়গায় জায়গায় শীতলকুচি হবে তো কেউ বলেছেন ৪ নয় উচিত ছিল ৮ জনকে মারা।
গতকাল বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা শীতলকুচি ঘটনা প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, “শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ঠিক কাজ করেছে। তাদের উপর বোমা ছোঁড়া হচ্ছে। আবারও গোলমাল করলে এই জবাবই দেবে। কেন চারজনকে মারল? ৮ জনকে গুলি করে মারা উচিত ছিল। এর জন্য বাহিনীকেই শোকজ করা উচিত।”


মমতার পরে এবার রাহুল সিনহা! গতকালের মন্তব্যের ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই রাহুলের ওপর নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা। আগামী ৪৮ ঘন্টা কোনও রকম মিটিং, মিছিল করতে পারবেন না তিনি। কমিশনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এমন কোনও কর্মকান্ড যা মানুষে মানুষে ভেদ তৈরি করতে পারে, দুরত্ব বাড়াতে পারে, হিংসার বাতাবরণ সৃষ্টি করতে পারে কিংবা বিভিন্ন ভাষাভাষী, ধর্মের মানুষের মধ্যে ঘৃণা তৈরি করতে পারে, এমন কিছু মেনে নেওয়া হবেনা। সতর্ক করা হয়েছে সকল দলের নেতা নেত্রীদের। নির্বাচনী বিদি না ভেঙে যেনো নির্দিষ্ট নিয়মেকাজ করেন তাঁরা।







