নজরবন্দি ব্যুরো: এনসিপি সভাপতি পদ থেকে আচমকাই সরে যাওয়ার ঘোষণা করেছিলেন শরদ পাওয়ার। তাঁর এই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। শরদ পাওয়ারের এই ঘোষণার খবর কানে যেতেই তাঁর মেয়ে সুপ্রিয়া সুলেকে ফোন করে কথা বললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।
আরও পড়ুন: NCP সভাপতি পদে ইস্তফা শরদ পাওয়ারের, দায়িত্বে কি অজিত পাওয়ার?


গত মঙ্গলবার নিজের আত্মজীবনী প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েই এই ঘোষণা করেছিলেন শরদ পাওয়ার। তিনি বলেছিলেন, “১ মে ১৯৬০ থেকে ১ মে ২০২৩, দীর্ঘ সময়ের জন্য জনগণের মাঝে ছিলাম। এবার পিছনে সরে দাঁড়ানোর সময়।” যোগ করেন, “এবার নতুন প্রজন্মের এই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়। আমি এনসিপি সদস্যদের কমিটিকে পরবর্তী সভাপতি নির্ধারণ করার দায়িত্ব দিলাম।” তবে রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন শরদ পাওয়ার।



সূত্রে খবর, এই বিষয় সম্পর্কে জানতেই শরদ পাওয়ারের মেয়ে এবং রাজ্য সভার সদস্য সুপ্রিয়া সুলেকে ফোন করে কথা বলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। দুজনের এই কথোপকথন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আচমকা ইস্তফা! শরদ কন্যা সুপ্রিয়া সুলেকে ফোন রাহুলের

সভাপতি পদ থেকে শরদ পাওয়ারের পদত্যাগের ঘোষণার পরই এনসিপি নেতা এবং সমর্থকদের চোখে জল দেখা দেয়। তাঁরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে। পরে অজিত পাওয়ার তথা মহারাষ্ট্রের বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, শরদ পাওয়ার নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে দু-তিনদিন সময় চেয়েছেন। তবে গত বুধবার দলের কর্মীদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপশি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন শরদ পাওয়ার।

উল্লেখ্য, শরদ পাওয়ারের ঘোষণার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি পরবর্তী সভাপতি কে হবেন? ভাইপো অজিত পাওয়ার এবং মেয়ে সুপ্রিয়া সুলে দুজনের নামই উঠে আসছে! অন্যদিকে, মহারাষ্ট্রে বিজেপির সঙ্গে এনসিপির জোট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। এছাড়া বিরোধী দলনেতা অজিত পাওয়ারের বিজেপিতে যোগদান ঘিরেও জল্পনা চলছিল। কিন্তু গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়েই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে বলেন, “এনসিপিতে ছিলাম, এনসিপিতেই আছি, এনসিপিতেই থাকবো। তাঁর এই বক্তব্যের পর স্বস্তি ফিরেছে দলের অন্দরে।







