সাধারণত জল বা তরলের প্রবাহ মাপার ক্ষেত্রে একক হিসাবে ব্যবহার করা হয় কিউসেক। আর ভারী বস্তুর ওজন মাপার ক্ষেত্রে কুইন্টাল। সেটা বোধহয় যে কোনও কারণে জানা ছিল না হুগলির তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের! বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে ফের বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন অভিনেত্রী। বললেন, ‘‘কুইন্টাল কুইন্টাল জল বেরিয়ে আসছে! মানুষের বাড়িঘর কিচ্ছু নেই।”
বিগত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। কার্যত বানভাসি হাওড়া, হুগলী, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া ও বীরভূম। বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে জেলা সফরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। বুধবার হুগলির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁদরা, মিলনগর, চরখয়রামারি-সহ একাধিক বন্যা কবলিত এলাকায় যান অভিনেত্রী। সেখানে গিয়ে তিনিও মুখ্যমন্ত্রীর সুরে সুর মিলিয়ে কেন্দ্র সরকার ও ডিভিসি-র সমালোচনা করেন।


রচনা বলেন, “যেটা হয়েছে, খুব খারাপ হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের গুরুজন। উনি এই বিষয়ে যা বলেছেন, আমি তার চেয়ে আর বেশি কিছু বলব না। কুইন্টাল কুইন্টাল জল বেরিয়ে আসছে! মানুষের ঘরবাড়ি কিচ্ছু নেই। সবাই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন। আর ডিভিসি বলছে, ওরা নাকি আমাদের জানিয়ে জল ছেড়েছে।” জল প্রবাহের একক গুলিয়ে ফেলায় সমাজমাধ্যমে রীতিমতো হাসির খোরাক হলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির তরফে পরিষ্কার বলা হল, “ওনাকে যাদুঘরে রাখা উচিত!”
প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে গিয়ে রাইস মিলের চিমনির ধোঁয়া দেখে পুরো আকাশটা ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে গেছে, কত্ত কারখানা! এরকম মন্তব্য করেছিলেন রচনা। তাঁর সেই মন্তব্য নিয়েও গুচ্ছ গুচ্ছ মিম তৈরি হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাছাড়া সিঙ্গুরের গরুর দুধ থেকে তৈরি দই কেন ভালো তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েও কটাক্ষের শিকার হন রচনা। বিজেপির এক নেতা খোঁচা দিয়ে আরও বলেছেন, “আসলে উনি নিজেই মিম তৈরীর রসদ যোগান করেন। যারা মিম তৈরি করেন তাঁদের কোনও দোষ নেই। ওনার ন্যূনতম জ্ঞান নেই। ভুলভাল বকছেন। কপালে দুঃখ রয়েছে সাধারণ মানুষের।”







