নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাঙ্গালির কাছে উৎসব মানেই পেটপুজো। আর ভাইফোঁটা তো স্পেশাল ব্যাপার। এদিকে ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির বাজারে ব্যাগ ভর্তি হওয়ার অনেক আগেই খালি হয়ে যায় মানি ব্যাগ। অনেকটা ‘এত দাম খাব কি’ গোছের ব্যাপার। মূল্যবৃদ্ধির কালে আগুনে পুড়ল ভাইফোঁটার বাজার। হু হু করে পেট্রোপণ্যের দাম বাড়তে থাকার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাজারে। মাছ হোক মিষ্টি বা সবজি – ছ্যাঁকা সর্বত্রই!
আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রের শুল্ক কমার পর কত হল পেট্রোল ডিজেলের দাম? দেখে নিন
ভাইয়ের পাতে চিংড়ি, পাবদা, ভেটকি বা ইলিশ না দিলেই নয়। কিন্তু দিদিরা কিনবে কি বাজারে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ। আজ সকালে মাছের দাম দেখে রিক্ত হস্তে বয়লার মুরগি আর কাটাপোনা কিনেই ফিরেছে বেশিরভাগ দিদিরা। যা দাম তাতে মাছের বাজারে মাথায় হাত পড়েছে বিক্রেতাদেরও। কারণ সাত সকালে ক্রেতার ঢল নামলেও বিক্রিবাটা হয়নি বললেও চলে।

আজ মাছ বাজারে কেমন দাম? ৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি সাইজের ইলিশ ১২০০-১৪০০ টাকা। এক থেকে দেড় কেজি সাইজের ইলিশ ১৬০০-২০০০ টাকা। চিংড়ি- ৮০০-১০০০ টাকা। ভেটকি- ৫০০ – ৬০০ টাকা। পাবদা- ৫০০ টাকা। পার্শে- ৬০০-৬৫০ টাকা। তোপসে- ৭০০-৮০০ টাকা। ট্যাংরা- ৬০০ টাকা।
ভাইফোঁটার সকালে বাজারে আগুন

সবজি বাজারেও লেগেছে আগুন। সাধারণ আলু ২২ টাকা, পেঁয়াজ ৬৫ টাকা। পটল ৬০ টাকা। বেগুন ৮০ টাকা। টোম্যাটো ৮০ টাকা। কাঁচালঙ্কা ২০০ টাকা। বাঁধাকপি ৬০ টাকা। ফুলকপি ৬০ টাকা। সাত সকালেই বাজারের উষ্ণতায় শীত কেটেছে বাঙালির। ক্রেতারা বলছেন এবার থেকে এক দিনের বাজারে ৭ দিন খেতে হবে যা বুঝছি। বিক্রেতাদের কথায়, আমাদের কিছু করার নেই। দাম কমাবো কিভাবে? কিনতে তো হচ্ছে আমাদেরও!



