প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। রাজনীতির ময়দানে এই নামটির সঙ্গে অপরিচিত নয় কেউ। তিনি ভোটকুশলী। যার পোশাকি নাম পলিটিক্যাল স্ট্র্যাটেজিস্ট। ২০২১ এর পশিচমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে শাসকদলের জয়ের পিছনে তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। সাধারণ মানুষ জানতে শুরু করে কিভাবে নির্বাচনী জয় প্রাপ্তি হয়। তার জন্য কতরকম কলাকৌশল থাকে। থাকে তার বিশেষজ্ঞ। যে রণনীতি প্রস্তুতকারক।



কিছুদিন আগেই তিনি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রাপ্ত আসনসংখ্যা নিয়ে ভবিষ্যদবাণী করে বলেন বাংলায় তৃণমূলের থেকে ভালো ফল করবে বিজেপি। বিজেপির ফলাফল সারপ্রাইজিং হবে। তারপরই প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার কথায় পিকে ‘ওভারহাইপড’। এই পিকে তৃণমূলের ২০২১ এর জয়ের কান্ডারী।



সমস্ত নির্বাচনী প্রচার অভিযান প্রস্তুত করেছিল পিকের সংস্থা আইপ্যাক। সম্প্রতি ফের চর্চায় উঠে এসেছে পিকে। নির্বাচনের প্রাক্কালে জেলে গেলেন দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল। এই ঘটনাটি বিজেপির ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলবে কিনা এই নিয়ে বললেন ভোটকুশলী জনসুরজ নেতা প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে!কেজরীওয়ালের গ্রেফতারি ইস্যুতে সোজাসুজি বিজেপিকেই আক্রমণ করলেন তিনি।

পিকে বলেন,”তদন্তাধীন ব্যক্তি যদি বিজেপিতে যোগ দেন, তাহলেই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ হয়ে যাবে। আজ সমাজে এমন একটা চিত্র তুলে ধরা হয়েছে যে কোনও নেতা বা ব্যক্তি যদি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত না থাকেন, তাহলেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে ইডি-সিবিআই। আমি এটাও বলছি যে যারা দোষ করেছে, অপরাধ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত। এই তদন্ত নিয়ে জনগণের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু সমস্যা তখনই দেখা দিচ্ছে, যখন তদন্তাধীন ব্যক্তি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন এবং তারপরই তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা নিয়ে সাধারণ মানুষের আপত্তি।”

‘তদন্তকারী সংস্থাগুলি তদন্তের জন্য নয়’, কেজরীওয়ালের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিজেপিকে আক্রমণ ‘পিকে’র
বিজেপিকে ওয়াশিং মেশিন বলেও কটাক্ষ করেন পিকে বলেন, “তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে তদন্তের জন্য নয়, ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে যাতে বিরোধীরা শাসকের সামনে দাঁড়াতে না পারে। এই ধরনের গণতন্ত্রের সবথেকে বড় সমস্যা হল যে কেউ আপনার বিরোধিতা করবে না।” কেজরীওয়াল ইস্যুতে বিজেপিকে একহাত নিলেন প্রশান্ত কিশোর।







