নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত দু-তিন দিন ধরে পেটের সমস্যা ভুগছিলেন তিনি।বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭ বছর। বুধবার রিয়েলিটি শো-তে তিনি অংশও নিয়েছিলেন। সেখানেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় জনপ্রিয় অভিনেতার। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায় টলিউডে। শোকবার্তা প্রকাশে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়লেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ওর সঙ্গে যা কিছু ভাল স্মৃতি সেটাই রেখে দিতে চাই।
আরও পড়ুনঃ Bagtui Massacre: বাগটুই যাচ্ছে বিজেপির প্রতিনিধি দল, থাকছেন চার প্রাক্তন আইপিএস অফিসার
কিছু বছর আগে অবধি বাংলার সিনেমা জগতে একাধিক সুপারহীত ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন তিনি। জনপ্রিয়তার নিরিখে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পাল, চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসত।
দুই জনের মধ্যে বরাবর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। অভিষেকের অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে প্রসেনজিৎ তাঁকে এবং ঋতুপর্ণাকে নিয়ে ছবি করেছেন। সহকর্মীর আকস্মিক প্রয়াণে শোকস্তব্ধ অভিনেতা।
শোকের ছায়া টলিউডে। অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি শোকবার্তায় জানিয়েছেন, অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের প্রয়াণে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি গতকাল গভীর রাতে কলকাতায় প্রয়াত হন।
“ওর সঙ্গে যা কিছু ভাল স্মৃতি সেটাই রেখে দিতে চাই”, বাকরুদ্ধ প্রসেনজিৎ
তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলি ‘পথভোলা’, ‘সুরের আকাশে’, ‘পাপী’, ‘শেষ প্রতীক্ষা’, ‘সীমান্ত পেরিয়ে’, ‘রাত্রি শেষের তারা’, ‘আলো’ ইত্যাদি। এছাড়া ‘টাপুর টুপুর’, ‘চোখের তারা তুই’, ‘ফাগুন বৌ’, সহ বহু জনপ্রিয় টিভি সিরিয়ালেও তিনি অভিনয় করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে ২০১৫ সালে বিশেষ চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে। ধারাবাহিক-প্রেমী মুখ্যমন্ত্রী ‘খড়কুটো’ ও ‘মোহর’-এ তাঁর অভিনয়ের প্রশংসা করলেন।



