নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুকুলের নামেও পড়ল পোস্টার! শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের পর মুকুল রায়। দাদার অনুগামীরা ক্রমশ দখল নিচ্ছে রাজ্য রাজনীতির আলোচনা স্তরে। গত কয়েক মাস ধরে কার্যত দাদার অনুগামীরা ঝড় তুলেছেন রাজ্য রাজনীতিতে। এই দাদার অনুগামীরা এবার টানাটানি শুরু করল মুকুল রায় কে নিয়ে। বিজেপি সর্বভারতীয় সহ সভাপতির নামে পোস্টার পড়েছে শিলিগুড়িতে।
আরও পড়ুনঃ দৈনিক করোনা সংক্রমণে ফের পতন, দেশকে স্বস্তি দিয়ে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়াল ৯৫ শতাংশে
মুকুল রায় নিয়ে বিজেপি-তে টানাপোড়েন নতুন কিছু নয়। দীর্ঘ্য টানা পোড়েনের পর ৩ বছর শেষে মুকুল কে পদ দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় সহ সভাপতির। কিন্তু রাজ্যে মুকুলের অনুগামীরা যে সেই পদে খুশি নয় তা বলাই বাহুল্য। মুকুল অনুগামীরা চেয়েছিলেন, তাঁকে হয় রাজ্য সভাপতি নয় মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী করা হোক। কিন্তু কোনটাই হয়নি, দেওয়া হয়েছে সর্বভারতীয় সহ সভাপতির পদ। নামে ডাকে পদটি বড় হলেও রাজ্যের ক্ষমতা আজও দিলীপ ঘোষের হাতেই।
আরও পড়ুনঃ বিকেলে ‘ব্ল্যাক-টি’র পর রাতে গরম স্যুপ, কবে বাড়ি যাব? প্রশ্ন বুদ্ধবাবুর।
এই যখন পরিস্থিতি ঠিক সেই সময় মুকুল রায়ের নামে পোস্টার পড়েছে শিলিগুড়িতে। কার্যত এই পোস্টারে ছয়লাপ শিলিগুড়ি। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “মুকুল তোমার হাত ধরে, পদ্ম ফুটুক ঘরে ঘরে।” লেখার ঠিক নীচে রয়েছে বিজেপির প্রতীক। সাথে লেখা, “পরিবর্তনের পরিবর্তন হোক বাংলায়।” সব শেষে সেই আলোচিত লাইন, “আমরা দাদার অনুগামী।” যদিও একজন আবার সৌজন্য প্রকাশ করেছেন, নাম সৌরভ প্রসন্ন দে (মনা)।
মুকুলের নামেও পড়ল পোস্টার! কিন্তু কেন? দাদার অনুগামীদের সৌজন্যে পোস্টার ছাপা ব্যাক্তি জনৈক ‘মনা’ র সাথে যগাযগ স্থাপন করা সম্ভব না হলেও। মুকুলের অন্য অনুগামী জানালেন, দাদা বঞ্চিত। দাদা তৃনমূলেও বঞ্চিত ছিলেন, এখানেও বঞ্চিত। দাদা বিজেপি-তে আসার আগে বিজেপি-র কিছুই ছিলনা রাজ্যে। সব করলেন দাদা আর নাম হচ্ছে অন্য কারও, আমরা দাদাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেব দেখতে চাই! ওইসব সহ সভাপতির পদ লাগবে না!



