নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজীব কে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা তৃণমূলের, রাজ্যে ভোট পর্ব চলাকালীন এবং তাঁর আগে যারা তৃণমূল ছেড়ে মানুষের জন্যে কাজ করার তাগিদে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে তাঁদের মধ্যে অনেকে ইতিমধ্যেই দল ছেড়েছেন। অনেকে আবার তৃণমূলে ফিরতে চেয়ে আবেদন করেছেন রীতিমত ক্ষমা চেয়ে। তবে এখন পর্যন্ত মুকুল এবং শুভ্রাংশু রায় ছাড়া কাউকেই দলে ফেরায়নি তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ হাফের বদলে ফুল ছুটি! জামাইষষ্ঠী তে পুর্ণ ছুটি ঘোষণা নবান্ন’র।


শনিবার তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষের বাড়িতে সৌজন্য সাক্ষাতে যান রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বেরিয়ে প্রকাশ্যেই তিনি বিজেপির নীতির সমালোচনা করেন। সূত্র বলছে, রাজীব নাকি কুণালের কাছে এও বলেছেন, এ রাজ্যে সিএএ ও এনআরসি জারি করে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপিতে দমবন্ধ হয়ে আসছে, ফিরতে চান তৃনমূলেই! এদিকে রাজীবের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়ল ডোমজুড়ে।
রাজীব কে ‘বিশ্বাসঘাতক’ তকমা তৃণমূলের, ডোমজুড়ের জগাছা ব্লকে পোস্টার পড়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, “মীরজাফর রাজীবকে দলে নেওয়া চলবে না”। এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা বলেন, “দীর্ঘ ১০ বছর তৃণমূলে থেকে বিভিন্ন সহযোগীতা, সাহায্য দেওয়ার পর তিনি অসময়ে দল ছেড়ে চলে গেছেন। বিজেপি-তে গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের মারধর, এমনকি তাঁদেরকে বিভিন্ন রকম কেসে ফাঁসিয়েছেন রাজীব। তাই এই বিশ্বাসঘাতকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।”
পাশাপাশি রাজীবের তৃণমূলে ফেরার ব্যাপারে সব থেকে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিন নেতা। কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ রায় এবং প্রসূন মুখোপাধ্যায়। কল্যান বলেছেন, “রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্যালু ইজ় জিরো, সেটা প্রমাণ করে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি। এরপর ওঁকে নিলে কী উপকারিতা হবে না অপকারিতা হবে, সেটা দল বুঝবে!” অরূপ রায় প্রকাশ্যেই রাজীবের বিরুদ্ধে সওয়াল করেছেন। প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “দিদির কাছে অনুরোধ করব, অন্তত হাওড়ায় যারা বেরিয়ে চলে গিয়েছেন, তাদের আর ঘরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।”


এদিকে বিজেপিও তোপ দাগতে ছাড়ছে না রাজীব ব্যানার্জী কে। বিজেপির ডোমজুড়ের এক নেতা বলছেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি পবিত্র গঙ্গা। এই গঙ্গায় জোয়ারের সময় অনেক বর্জ্য পদার্থ আসে। তাতে গঙ্গার পবিত্রতা নষ্ট হয় না। গঙ্গা পবিত্রই থেকে যায়।”







