ঈদের দিন রাজনৈতিক সৌজন্যতার প্রতীক হয়ে উঠল বরানগর বিধানসভা কেন্দ্র। লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের দুটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিধানসভা উপ-নির্বাচন। এর মধ্যে বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রে শাসকদলের প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য। বিজেপি থেকে প্রার্থী করা হয়েছে সজল ঘোষকে।

আরও পড়ুন : মুখ্যমন্ত্রীর নজরে ‘সংখ্যালঘু’, বামেদের নজরে কি ‘সংখ্যাগুরু’! ঈদেও লোকসভার সমীকরণেই শুভেচ্ছা?
কেন্দ্রে যতই ‘ইন্ডিয়া’ জোট হোক না কেন, এ রাজ্যে অর্থাৎ বাংলায় সিপিআইএম তৃণমূলের আপসের কোনও জায়গা নেই, এ কথা রাজনৈতিক বিষয়ে ওয়াকিবহল মানুষরা নিশ্চয় জানেন। ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটেছে তৃণমূলের হাতে। ফলে, লাল পার্টি কোনও দিন আদর্শগতভাবে জোড়াফুলকে ‘ক্ষমা’ করবে না। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো বলেন, বাংলার শত্রু সিপিআইএম, অতএব তাঁদের একটি ভোটও নয়।

রাজনীতির ময়দানে যাই চলুক না কেন, উৎসবের দিনগুলিতে আবার সিপিআইএম-তৃণমূলকেই কাছে আসতে দেখা যায়। সৌজন্যের খাতিরে কোথাও গিয়ে যেন পিছিয়ে থাকে বিজেপি। কেন? সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রদায়িক দল বিজেপিকে নিয়ে মন্তব্য করতে দেখা যায় সায়ন্তিকাকে।বিজেপির সাম্প্রদায়িক সরকারের বিরুদ্ধে বরানগরের মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে লড়াই।

‘ইন্ডিয়া’ জোটের ছবি বরানগরে! তন্ময় বললেন, এটা বিধানসভা নির্বাচন লোকসভা নয়
রাজনীতির ময়দানে এই দৃশ্য সত্যিই বিরল! শাসকদলের প্রার্থী আশীর্বাদ নিলেন প্রবীণ সিপিএম নেতার কাছ থেকে। একগাল হাসিমুখে তৃণমূলের তারকা প্রার্থীকে স্বাগত জানালেন বর্ষীয়ান বাম নেতা। ইদের দিন এমনই দৃ্শ্য দেখা গেল বরানগর বিধানসভা এলাকার আলম বাজারে। রাজনীতিতে যুযুধান দুই প্রবল প্রতিপক্ষের এমন সহাবস্থান ইদে নতুন চর্চা তৈরি করেছে।



