ভোট চতুর্থীর শীতলকুচি কান্ড! কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে সরাল নবান্ন

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ ভোট চতুর্থীর শীতলকুচি কান্ড! ভোট মিটলেও সেদিনের ক্ষত এখনো দগদগে। শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি এবং তাতে প্রান হারান সাধারন মানুষ। সেই নিয়ে উত্তাল রাজনীতি। কমিশন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭২ ঘন্টা রাজ্যের সকল রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল কোচবিহারে, সেই মতো চতুর্থ দিনে পৌঁছে গিয়েছিলেন খোদ মমতা, আশ্বাস দিয়েছিলেন সাহায্যের।

আরও পড়ুনঃ ৩ মিনিটের শপথ থেকে হাসপাতাল ভায়া নবান্ন, থার্ড ইনিংসের শুরুতেই চরকি কাটলেন মমতা

তার পরে অন্য দিনে ভোট হয়েছে শীতলকুচির ১২৬ নং বুথে, ফল ঘোষণা হয়েছে গত ২রা মে। এবার নির্বাচন কাল শেষে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় ফেরার পরেই সরালেন কোচবিহারের পুলিশ সুপারকে। গতকাল শপথ নেওয়ার পর থেকেই একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শপথ গ্রহণের পরেই নবান্নে গিয়ে মিটিং করেছেন কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়। তার পরেই বড়সড় রদবদল করেছেন রাজ্যের পুলিশ বিভাগেও। ফিরিয়ে এনেছেন নিজের টিমকে। তার সঙ্গেই তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বদল করা হয়েছে কোচবিহারের পুলিশ সুপারকেও। দেবাশিস ধরের জায়গায় ওই জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে কে কান্নানকে।

আর তার জের শীতলকুচি কান্ড বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভোটের চতুর্থ দফায় কোচবিহারের শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলি চালানোর প্রেক্ষিত হিসেবে পুলিশ সুপার দেবাশিস ধর দাবী করেছিলেন আত্মরক্ষার্থে গুলি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী, সঙ্গে তিনি এও জানিয়েছিলেন, উত্তেজিত জনতা চড়াও হওয়ায় ইভিএম এবং আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাই হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেই কারণেই বাধ্য হয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায়।

ভোট চতুর্থীর শীতলকুচি কান্ড! নির্বাচনে জয়ী হয়ার পরেই রাজ্যে জুড়ে রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তার সঙ্গেই পুলিশকে বলেছিলেন রাজধর্ম পালন করতে। সেদিনই কোচবিহারের পুলিশ সুপারের উদ্দ্যেশ্যে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘‘কোচবিহারের এসপি বিজেপির হয়ে কাজ করছেন। বিজেপি খুন, অত্যাচার করছে। সব থেকে বেশি অত্যাচার করছে কোচবিহারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীও খুব অত্যাচার করেছে। সব দেখে নেব।’’  তার পরেই গতকাল অর্থাৎ বুধবার সন্ধ্যায় দেবাশিস ধরকে সরিয়ে পুনরায় মমতা সেই পদে ফিরিয়ে আনেন কে কান্নানকে।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন