নজরবন্দি ব্যুরোঃ ক্রমাগত বাড়ছে হাইকোর্টের উত্তাপ। সকাল থেকেই বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয় হাইকোর্টের আইনজীবীদের একাংশ। কিন্তু বেলা গড়াতে বদলে গেল ছবি। অন্য আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। শোনা মাত্রই নিজের কক্ষের বাইরে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। বিচারপতির নির্দেশের পরেই পুলিশের ঘেরাটোপে এজলাস।


বিচারপতির এই নির্দেশের পর এজলাসের বাইরে পুলিশ নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। আইনজীবীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। বেশীরভাগ আইনজীবীরা উপস্থিত না থাকার কারণে পিছিয়ে যায় বিচারের প্রক্রিয়া। সোমবার বিক্ষোভের কারণে ৪০০ টি মামলার বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়।

মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ কর্মসূচি। এমনকি অন্যান্য আইনজীবীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আইনজীবীদের বক্তব্য, আদালতে শান্তি বজায় রাখতেই এই প্রস্তাব। বারের একশো জন আইনজীবী একটি চিঠি দিয়ে দাবি করছেন, যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে কোনও বিচারপ্রক্রিয়ায় তাঁর অংশগ্রহণ করবেন না। এই মুহুর্তে একাধিক মামলার শুনানি চলছে রাজাশেখর মান্থার এজলাসে। এই বয়কটের কারণে বহু মামলা থমকে যাবে বলে মনে করছেন আইনজীবীদের একাংশ।
কলকাতা হাইকোর্টের বার প্রেসিডেন্ট অরুণাভ ঘোষের মন্তব্য, রেজিলিউশনই নেওয়া হয়নি, ওটা মিথ্যা চিঠি। ওটা এক্তিয়ার বহির্ভূত। বিশেষ রাজনৈতিক দলগুলির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন তিনি। এভাবে প্রস্তাব আনা যায় না বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, চাইলে মামলা করতে পারেন। দেশের প্রাচীনতম হাইকোর্টের ঐতিহ্য রয়েছে। বারের উচিত এব্যাপারে দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে কি না, জানতে চান তিনি।


পুলিশের ঘেরাটোপে এজলাস, বিরাট নির্দেশ বিচারপতির

সোমবার নির্ধারিত সময়েই এজলাসে উপস্থিত হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। এজলাসের বাইরে গেট আটকে বিক্ষোভে বসেন আইনজীবীদের একাংশ। যার ফলে স্তব্ধ হয়ে যায় বিচারপ্রক্রিয়া। এজলাসে ছাড়তে বাধ্য হন বিচারপতি। আজ এজলাসের কাজ মুলতুবী করে দেন তিনি। অন্যদিকে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নামে আদালতের বাইরে একাধিক জায়গায় পোস্টার পড়তে দেখা যায়।







