নজরবন্দি ব্যুরোঃ ইডির মুঠো থেকে বেরোতেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ টুলু মণ্ডল। গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত্ মণ্ডল ধরা পড়তেই একে একে ডাক আসে তাঁর ঘনিষ্ঠ দের। সেই তালিকায় বেশ উজ্জ্বল ছিল টুলু মন্ডলের নাম। সম্প্রতি তিনি দিল্লিতে ইডির একাধিকবার জেরার মুখোমুখি হয়েছেন। আর এবার বাংলায় ফিরতেই পুলিশ অতিসক্রিয় হয়ে তাঁকে শ্রীঘরে পুড়ল। আর এই ঘটনা ঘিরেই উঠছে ষড়যন্ত্রের জল্পনা।
আরোও পরুনঃ মেরে পঞ্চায়েত নিতে চান না মদন, ঝাড়াই বাছাই করতে চান সৌগত
রবিবার টুলু মণ্ডলকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। একটি খুনের ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ৩ তারিখ খুনের ঘটনা ঘটে। মহম্মদবাজার এলাকায় এক যুবককে মারধর করে খুনের ঘটনায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আইপিসি-র ৩০২ ধারায় মামলা রুজু হয়। টুলু মণ্ডল ছিলেন সেই ঘটনার মূল অভিযুক্ত।

তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সেপ্টেম্বরের একটি খুনের ঘটনায় কেন নভেম্বরে এসে গ্রেফতার করা হল? তবে কি গরু পাচার মামলায় কাউকে আড়াল করতে চাইল পুলিশ? আর এই ঘিরেই উত্তাল হয়েছে বিতর্ক! কেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ছাপিয়ে তৎপর হয়ে উঠল রাজ্য পুলিশ? গরু পাচারের মামলায় টুলু মণ্ডলের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। সেখান থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়। গত শুক্রবার ইডি-র তরফে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নোটিস পাঠানো হয়। দিল্লিতে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয়। শুক্রবার তিনি হাজিরাও দেন। আর তারপরই পুলিশের কবলে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ।
পুরানো মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ টুলু, পুলিশের অতিসক্রিয়তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

সূত্রের খবর, টুলুর নাম প্রথমে উঠে আসে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরায়। জানা যাচ্ছে, মূলত পাথর ব্যবসায়ী টুলুর আয়কর দফতরে দেখানো টার্ন ওভার কয়েকশো কোটি টাকা। তদন্তে ইডি আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, গরু পাচারের ক্ষেত্রে টুলুর দায়িত্ব ছিল পাচারের গাড়ি যাতে নির্বিঘ্নে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে যায়। এই কারণেই তাঁকে একাধিকবার জেরা করেছেন ইডি আধিকারিকরা। তাহলে কি ইডি আর অনুব্রতর মাঝে দেওয়াল তুলে দিল রাজ্য পুলিশ।



