নজরবন্দি ব্যুরো: রবিবারও একই দৃশ্য। ভাঙড়ে ঢোকবার মুখে হাতিশালায় পুলিশি বাধার সম্মুখীন বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। ভাঙড়ে ১৪৪ ধারা জারি থাকায় নওশাদকে আটকানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। পাল্টা নওশাদের বক্তব্য, তিনি একজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ১৪৪ ধারাকে লঙ্খন করেননি, পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে আটকেছে। আদালতে সব বুঝে নেব বলে হুঙ্কারও দিলেন আইএসএফ বিধায়ক।
আরও পড়ুন: কুন্তল ঘোষের জামিনের আবেদন খারিজ, বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতার সম্পত্তির উৎস জানতে মরিয়া ED
শুক্রবার নওশাদকে একইভাবে আটকেছিল পুলিশ। এরপর চার ঘন্টা গাড়িতে বসে ছিলেন তিনি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। এবার রবিবারেও নওশাদকে ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা দিল পুলিশ। গার্ডরেল দিয়ে তাঁর গাড়ি আটকানো হল। অথচ শনিবার তৃণমূলের দুই নেতা আরাবুল ইসলাম ও শওকাত মোল্লাকে ভাঙড়ে প্রবশ করতে দেয় পুলিশ। সেই প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, ‘দ্বিচারিতা করছে পুলিশ। আমি হাতিশালায় রয়েছি। এখানে ১৪৪ ধারা লাঘু নেই। হাজার হাজার মানুষ যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতারা অবাধে বিচরণ করছে। আমি এখানের জনপ্রতিনিধি। মানুষের পরিষেবা দিতে আমাকে যেতেই হবে। ১৪৪ ধারার মানে চারজনের বেশি জমায়েত করা যাবে না। আমি তো একজনকে সঙ্গে নিয়ে এসেছি। সুকৌশলে আমাকে আটকানো হচ্ছে’। আজও দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বচসায় লিপ্ত হতে দেখা গেল ভাঙড়ের বিধায়ককে।

পুলিশের বক্তব্য, তাঁরা নিয়ম মেনেই নওশাদকে ঢুকতে দেননি। তবে, বিধায়কের যদি কোনও অভিযোগ থাকে তাহলে তা জানালে খতিয়ে দেখা হবে। এদিকে শনিবার একুশে জুলাইকে মাথায় রেখে ভাঙড়ে সভা করেছে তৃণমূল। যদিও ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার বক্তব্য, ‘নওশাদ ভাঙড়ের বিধায়ক হলেও, সেখানকার ভৌগোলিক বৈচিত্র জানেন না। ভাঙড়ে তিনটি থানা আছে। কাশীপুর থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। আর যেখানে সভা হয়েছে, সেটি ভাঙড় থানার অন্তর্গত।’

ফের ভাঙড়ে নওশাদকে ঢুকতে বাধা পুলিশের, আদালতে সব বুঝে নেব হুঙ্কার ISF বিধায়কের




