নজরবন্দি ব্যুরোঃ মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরেই ভবানীপুরে দম্পতি মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন ওড়িশার বাসিন্দা বলেও জানা গেছে। বাকি দুই জন সুপারি কিলার। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে রহস্যের কিনারা করতে চায় পুলিশ।ভবানীপুরের দম্পতি মৃত্যুর ঘটনায় ক্রমশ ঘনাচ্ছে রহস্য।
আরও পড়ুনঃ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ, রেণুর হাত কাটতে ভাড়া করা হয় লোক
ভবানীপুরের খুনের ঘটনার অঙ্গে জড়িত দম্পতির মেজো জামাইয়ের আত্মীয়? পুলিশের সন্দেহ ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, ব্যবসা মন্দা চলার কারণে মেজো জামাইয়ের আত্মীয়র থেকে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন অশোক শাহ। কিছু টাকা ফেরত দিয়েছিলেন, বাকি টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণেই কী খুন হতে হল?

এই ঘটনায় রাজ্যের বাইরের কয়েকজন যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ওড়িশার এক বাসিন্দাকে কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে ভবানীপুরের ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিন সকালেই দু’জন পেশাদার খুনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা মৃতদের অতি পরিচিত বলেই মনে করা হচ্ছে। পুলিশের অনুমান, দম্পতিকে খুনের জন্য বরাত দিয়ে থাকতে পারেন মেজো জামাইয়ের ওই আত্মীয়। তবে তাঁদের নাম অথবা পরিচয় এখনও অবধি জানা যায়নি।
ভবানীপুরের দম্পতি মৃত্যুর ঘটনায় ক্রমশ ঘনাচ্ছে রহস্য, নিকটাত্মীয়ের যোগ!

বুধবার ঘটনাস্থলে হাজির হন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহত দম্পতির মেয়েদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া হবে। এমনটাই আশ্বাস দেন তিনি। এমনকি তদন্তের ৯৯ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে বলে জানান তিনি। এরপরই একাধিক প্রমাণের ভিত্তিতে তিন দিনের মাথায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় আর কারা জড়িত? ধৃতদের জিজ্ঞাসা করে রহস্যের সমাধান করতে চাইছে পুলিশ।



