নজরবন্দি ব্যুরোঃ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ইন্টারনেট বন্ধ কেন? এই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের। মামলাকারীর আইনজীবির তরফে জানানো হয়েছে, এ যেন জরুরী অবস্থার মতো পরিস্থিতি। সাংবিধানিক ক্ষমতাকে খর্ব করা হচ্ছে। ইন্টারনেট এখন প্রতি সেকেণ্ডে প্রয়োজন হয়। আসলে মানুষের অধিকারকে খর্ব করা হচ্ছে। রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে লাগাম টানার জন্য হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বাকি থেকে গিয়েছে জয়প্রকাশের টিভির দাম, মাথায় হাত ব্যবসায়ীর
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে হয় মামলার শুনানি। রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের কোথাও ইন্টারনেট বন্ধে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়নি। হোয়াটসঅ্যাপ এবং অনলাইনে কীভাবে চিটিং করা হয় তা দেখার জন্য প্রধান বিচারপতিকে অনুগ্রহ করেছেন তিনি। আগামী ২ সপ্তাহ বেআইনি কার্যকলাপের আভাস পেয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্ন ফাঁস রুখতে পরীক্ষার দিনগুলিতে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩.১৫ পর্যন্ত ওইসব এলাকায় ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্য সরকার। সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে ১৬ মার্চ পর্যন্ত। এর জন্য কোনও ছাত্র বা ব্যবসায়ী অভিযোগ করেননি। আগামীকাল ১১ টায় সংশ্লিষ্ট কমিটির রিভিউ মিটিংয়ের ওপরেই আস্থা রাখতে বলা হয়েছে।
মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় ইন্টারনেট বন্ধ কেন? হলফনামা চাইল আদালত

আদালতের তরফে প্রশ্ন তোলা হয়ে, কেন ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকলেই বেআইনি কাজকর্ম বন্ধের আশঙ্কা করছে রাজ্য? রাজ্যের যুক্তি, গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর দুটোর মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের।



