নজরবন্দি ব্যুরো: পঞ্চায়েতের আগেই সরগরম রাজ্য-রাজনীতি! উপনির্বাচনে জিতে ৩ মাসের মধ্যেই দল বদল করেছেন সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস। ঘাটালে তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বাইরন। তার বিধায়কের এই যোগদানের ফলে ফের বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে কংগ্রেস-সিপিএম। তবে দলবদলের ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্যের শাসক বিরোধী দলগুলি!
আরও পড়ুন: Coromandel Express: কাটেনি আতঙ্ক! হাসপাতালে ভর্তি করমণ্ডলের দুই চালক, এখন কেমন আছেন তাঁরা?
সূত্রের খবর, এবার দলবদলে ঘটনার পরেই বায়রন বিশ্বাসের সাগরদিঘির বিধায়কের পদ খারিজের দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টে দায়ের করা হল জনস্বার্থ মামলা। জানা গিয়েছে, সোমবার কলকাতা আদালতে জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করে আইনজীবী সৌম্যশুভ্র বিশ্বাস। জানা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতি টি শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে আসেন বাইরন। দলবদলের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এই দলবদল নিঃসন্দেহেই এটা কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা! নির্বাচনের আগেই বড় চাল চালল তৃণমূল। যদিওবা এই দলবদলের প্রসঙ্গে প্রথমে কোনও মন্তব্য করতে ছাড়েনি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। কিন্তু তিনি পরে মুখ খুলে বলেন, “বাইরনকে ডাণ্ডা দেখিয়ে তৃণমূল নিয়ে গেছে। বাইরন নিয়ম মেনেই করেছেন যা করেছেন, এর মধ্যে কোনও অনিয়ম নেই।” একইসঙ্গে বিরোধী দলের নেতারাও এই দলবদলের ঘটনায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি।

তবে এই কটাক্ষে কান দেননি সাগরদিঘির বিধায়ক। কটাক্ষের পাল্টা জবাবে বাইরন বলেন, “হ্যাঁ আমি প্রচুর টাকা পেয়েছি। সব ঘরে রেখে দিয়ে এসেছি। ছটা মন্ত্রিত্ব দেবে বলেছে। পাইলট কার নিয়ে ঘুরে বেড়াবো। আমি ওই সব বড় বড় কথা বলতে পারবো না। আমি মানুষের উন্নয়নের কাজ করতে এসেছি। আমাকে লোভ দেখানো হয়নি। আমি কাজে বিশ্বাসী। সাগরদিঘির মানুষের কাজ করব।”
Bayron Biswas-র বিধায়ক পদ খারিজের দাবি, আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানি









