ইংরেজি ক্যালেন্ডারের জানুয়ারি মানেই বাংলা পঞ্জিকায় পৌষ মাস। নতুন বছর শুরু হতে না হতেই আসছে বছরের প্রথম পূর্ণিমা—পৌষ পূর্ণিমা। জ্যোতিষশাস্ত্র ও ধর্মীয় বিশ্বাসে এই তিথি অত্যন্ত পবিত্র বলে মানা হয়। শীতের শেষে এই পূর্ণিমা বহু মানুষের কাছে আচার-অনুশীলনের গুরুত্বপূর্ণ দিন।
পঞ্জিকা অনুযায়ী, পৌষ পূর্ণিমার তিথি শুরু হবে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে। এই তিথি থাকবে শনিবার দুপুর ৩টা ৩২ মিনিট পর্যন্ত। উদয়তিথি ধরা হলে, পৌষ পূর্ণিমা পালিত হবে ৩ জানুয়ারি, শনিবার।
জ্যোতিষ মতে, পৌষ পূর্ণিমা পুণ্যদায়ী তিথি। এই দিনে নদীতে পুণ্যস্নান, দানধ্যান, পুজোপাঠ ও ব্রতাচরণ বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। শাস্ত্রীয় ব্যাখ্যায় বলা হয়, এই তিথিতে দান করলে তা বহু গুণে ফল দেয়—বিশেষ করে অন্ন, বস্ত্র ও উষ্ণ সামগ্রীর দান।
শীতের মরশুমে হওয়ায় অনেক জায়গাতেই ভোরে কুয়াশার মধ্যে স্নান ও প্রার্থনার আয়োজন দেখা যায়। ঘরে বা মন্দিরে সত্যনারায়ণ পূজা, নারায়ণ সেবা কিংবা গঙ্গাস্নান—স্থানভেদে আচার ভিন্ন হলেও তিথির তাৎপর্য এক।
নতুন বছরের শুরুতে এই পূর্ণিমা অনেকের কাছেই মানসিক শুদ্ধতা ও ইতিবাচক সূচনার প্রতীক। তাই দিনক্ষণ জেনে আগাম প্রস্তুতি নিতেই আগ্রহ বাড়ছে ভক্তদের মধ্যে।








