নজরবন্দি ব্যুরোঃ পেনডিং নিয়োগ সর্ম্পুন করে তবেই নতুন নিয়োগ, বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর। সাত বছরের নিয়োগ বঞ্চনার প্রতিবাদ, মেধা তালিকায় একাধিক অসঙ্গতির অভিযোগে বাড়িতে থেকেই পোস্টার, দেওয়াল লিখন এবং লাইভ ভিডিও কর্মসূচী। শেষে গাছ লাগানো এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনে গেজেট গণ ইমেলের পর পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চ সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্যের সমস্ত বিধায়ক, মন্ত্রী, মেয়র, পুরসভার চেয়ারম্যান এবং সাংসদের কাছেই তাঁদের করুন অবস্থার কথা তুলে ধরা হবে। সেইমত তাঁরা পৌঁছে যান জনপ্রতিনিধিদের কাছে। ডেপুটেশন দেন ডিএম দের।
আরও পড়ুনঃ বিজেপি ব্যাবহার করছে সম্মান দিচ্ছে না, ঘরে ফিরছেন ঘরের ছেলে মুকুল!


পশ্চিমবঙ্গ আপার প্রাইমারী চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের দাবি, দীর্ঘ ছয় বছরের আন্দোলন ও আইনি প্রক্রিয়ার পর কমিশন ৪ঠা অক্টোবর ২০১৯ যে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করেছে তাতেও বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। প্রায় বারো হাজার চাকরি প্রার্থী কমিশনে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জানান। পাশাপাশি অনেকেই আদালতের দ্বারস্থ হন। মঞ্চের অভিযোগ মেধাতালিকায় ইন্টারভিউ দেওয়া সকল প্রার্থীর নাম নেই। টেট ও অ্যাকাডেমিক স্কোরেও রয়েছে বিস্তর অসঙ্গতি। ইন্টারভিউতে ডাকার ক্ষেত্রে শূন্যপদ ও প্রার্থীর ১ : ১.৪ রেশিও মানা হয়নি। নিয়োগ বিধিতে ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশের আগে পর্যন্ত শূণ্যপদ আপডেটের কথা থাকলেও সাত বছরের শুণ্যপদ তেমন বাড়েনি বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা কমে গেছে। এমনকি নব স্হাপিত বিদ্যালয় গুলির অনুমোদিত ৫১০৮ টি শূন্যপদও ফাইনাল ভেকেন্সিতে যুক্ত হয়নি।
পেনডিং নিয়োগ সর্ম্পুন করে তবেই নতুন নিয়োগ, বার্তা শিক্ষামন্ত্রীর। আজ শিক্ষামন্ত্রী নিয়োগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, ‘‘নতুন নিয়োগ হবে না যতক্ষণ না পেনডিং নিয়োগ সর্ম্পুন হচ্ছে।’’ ঘটনাচক্রে নাম আসে WBPTTA নামক রাজ্যের একটি শিক্ষক সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক পিন্টু পাড়ুই এর। এদিন পিন্টু পাড়ুই এক বার্তায় জানিয়েছেন, ‘‘শিক্ষামন্ত্রী এক সাক্ষাতকারে আজ বলছেন যে নতুন নিয়োগ তখন হবে যতক্ষণ না পেনডিং নিয়োগ সর্ম্পুন হচ্ছে, এ বিষয়ে উনি পিন্টু পাড়ুই এর সঙ্গে কথা বলে চলেছেন।
কিন্তু বাস্তবে উনি কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির কথা স্বীকার করে নিয়েই বঞ্চিত PTTI ছাত্রছাত্রীদের লিষ্ট দেড় বছর হল নিয়েছেন,ডির্পাটমেন্টে কাজ হচ্ছে, নিয়োগের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী নাকি সম্মতিও দিয়েছেন বলে বলছেন,কিন্তু বাস্তবে যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই আছে।
প্রতিশ্রুতি শুধু প্রতিশ্রুতি হিসাবে রয়ে যাচ্ছে। একদিকে বঞ্চিত PTTI ছাত্রছাত্রীদের নিয়োগ করছেন না,অপরদিকে ২০১৭ সালে টেট পরীক্ষার জন্য ফর্ম ফিলাপ হলেও পরীক্ষা মন্ত্রী বলছেন হবে না,আবার টেট পাশ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদেরও নিয়োগ করছেন না।
ইতিমধ্যে ১৭জন আত্মহত্যা করেছে, আর কতজন মৃত্যু বরন করলে বঞ্চিত দের নিয়োগ করবে।
এর বিরুদ্ধে এই করোনা পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর FACEBOOK,WHAT’S APP,EMAIL এ কয়েক লক্ষ কমেন্ট করে কাতর আবেদন জানাচ্ছি, এতেও না হলে করোনা পরিস্থিতিতে জীবনকে তুচ্ছ করে জোরদার আন্দোলনে পথে নামতে বাধ্য হবো।’’










