নজরবন্দি ব্যুরোঃ পেট্রোল কর ছাড় থেকে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, অর্থ বাজেটে একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্যের। পেশ হটে চলেছে রাজ্যের পূর্ণ অর্থ বাজেট। অসুস্থতার কারণে এবারের বাজেট পেশ করবেন না অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তার বদলে এবারে বাজেট পেশ করছেন শিল্প ও পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায়। নয়া বাজেটে পেট্রোলের বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে রাজ্য কর কমানো থেকে একগুচ্ছ প্রকল্প গ্রহন করতে চলেছে রাজ্য। এই নিয়ে একগুচ্ছ প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে রাজ্য অর্থ বাজাটে। কঠিন করোনা পরিস্থিতিতে ক্রয়ক্ষমতা কমেছে মানুষের।
আরও পড়ুনঃ বড় সাফল্য ভারতীয় সেনার, কাশ্মীরে খতম হিজবুল কমান্ডার
এমন পরিস্থিতিতে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাটের ক্রয়-বিক্রয়, লিজের ক্ষেত্রে এবং দলিলের রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রদেয় স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড় দেওয়া হল। স্ট্যাম্প ডিউটির হার ২ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব। সব ধরনের দলিল রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে বাজারদর ১০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব। ৩০ অক্টোবর ২০২১-এর মধ্যে দলিল রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করলে এই দুই সুবিধা পাওয়া যাবে। বাজেটে পরিবেশ খাতে আগামী অর্থবর্ষে ৯৭.৪৬ কোটি বরাদ্দ। অপ্রচলিত এবং পুনর্নবীকরণ শক্তি উত্স বিভাগের জন্য ৭৪.৩১ কোটি বরাদ্দ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জৈব প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ৭০.১১ কোটি বরাদ্দ। পেট্রোল কর ছাড় থেকে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, অর্থ বাজেটে একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্যের। কৃষি খাতে ৯,১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ। কৃষি বিপণন খাতে ৩৯১.৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ। খাদ্য ও সরবারের জন্য আগামী অর্থবর্ষে ১২,২৯৩.১৭ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব। যেহেতু রাজ্য সরকারের প্রজেক্ট দুয়ারে সরকার চলছে। কিছু এলাকায় পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে রয়েছে তাই এই বরাদ্দ বৃদ্ধি। আগামীদিনে রাজ্যের প্রতি প্রান্তেই চালু হবে ‘দুয়ারে রেশন।’
পেট্রোল কর ছাড় থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা অর্থ বাজেটে।
লক্ষীর ভাণ্ডার অর্থাত্ জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা ও অনগ্রসর জাতির মহিলাদের জন্য মাসে ১০০০ টাকার প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ। অতিমারি পরিস্থিতিতে ২০২১-এর ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রোড ট্যাক্স এবং অতিরিক্ত ট্যাক্স মকুবের প্রস্তাব। সংশোধন প্রশাসন বিভাগের জন্য বরাদ্দ ৩৩৭ কোটি ৩৪ লক্ষ কোটি। ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র বিভাগের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ১৪৪ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। সরকারি উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন বিভাগে বরাদ্দ ৭১ কোটি ৭ লক্ষ টাকা পর্যটন খাতে বরাদ্দ ৪৫৭ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। তথ্যপ্রযুক্তি এবং বৈদ্যুতিন বিভাগের জন্য বরাদ্দ ১৮৩ কোটি ৫১ লক্ষ কোটি।
পেট্রোল কর ছাড় থেকে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, অর্থ বাজেটে একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্যের। উপভোক্তা বিষয়ক খাতে বরাদ্দ ১১৪ কোটি ১৫ লক্ষ কোটি টাকা। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৭৭৬ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা। সুন্দরবন বিষয়ক খাতে বরাদ্দ ৫৭৩ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন খাতে ৬৭২ কোটি ২১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ।
স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক বিবাগের জন্য বরাদ্দ ১১ হাজার ৯৩৮ কোটি ৯০ লক্ষ কোটি টাকা। কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার বিভাগের জন্য ২৭৩ কোটি ১৫ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ হল। বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অসামরিক প্রতিরক্ষা খাতে ২ হাজার ১০৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য। অগ্নি নির্বাপণ ও জরুরি পরিষেবা বিভাগের জন্য ৪৩৫ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হল।
পেট্রোল কর ছাড় থেকে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, অর্থ বাজেটে একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্যের। জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার খাতে বরাদ্দ ৩৮১ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা।জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পানীয় জলের জন্য বরাদ্দ ৩ হাজার ৫৭৯ কোটি ৫৭ লক্ষ কোটি টাকা। পরিবহণ খাতে ১ হাজার ৭৩৭ কোটি ৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হল।
পেট্রোল কর ছাড় থেকে স্ট্যাম্প ডিউটিতে ছাড়, অর্থ বাজেটে একগুচ্ছ ঘোষণা রাজ্যের। পূর্ত বিভাগের জন্য বরাদ্দ হল ৬ হাজার ৩৮৩ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা। ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও পুনর্বাসন খাতে ১ হাজার ৪১৭ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হল। বিদ্যুত্ খাতে বরাদ্দ ২ হাজার ৫৯৮ কোটি ৫৩ লক্ষ টাকা। পুর ও নগরোন্নয়ন বিবাগের জন্য ১২ হাজার ৪৪৬ কোটি ২২ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হল।



