নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত ২২ জুলাই শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এরপর থেকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিক জনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই ও ইডি। সোমবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ আরও সাতজনকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেই মামলায় সকলকেই আরও ১৪ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। একইসঙ্গে অনন্তকাল হেফাজতে থাকার প্রশ্ন আদালতের সামনে তুলে ধরলেন পার্থ নিজেই।
আরও পড়ুনঃ SSC Scam: এরাও বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ, অযোগ্য প্রার্থীদের হেফাজতে নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন আদালতের


এদিন আদালতের কাছে পার্থর আইনজীবী প্রশ্ন, শেষ ১৪ দিনে তদন্তের কী অগ্রগতি হয়েছে যে আমাকে হেফাজতে রাখতে হবে। অনন্তকাল কি হেফাজতে থাকব নাকি? গত ১৪ দিন ধরে কতদূর তদন্ত এগিয়েছে? প্রশ্ন পার্থর আইনজীবীর। এরপর অবশ্য পার্থর প্রশ্নে সায় দেয়নি আদালত। বরং আরও ১৪ দিনের হেফাজতের ঘোষণা আদালতের। আগামী ২৮ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি।

এদিন এসপি সিনহার বয়স ও শারীরিক অবস্থার কথা ভেবে তাঁর জামিনের জন্য আবেদন করেন আইনজীবী সঞ্জয় দাশগুপ্ত। তাঁর কথায়, সিবিআই বলছে এসপি সিনহার থেকে একটি গ্যাজেট পাওয়া গিয়েছে যার থেকে পরীক্ষার উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট পাওয়া গিয়েছে। সিবিআই বলছে এটা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র। চার্জশিটও দিল। চার্জশিটের পর কেন হেফাজতে রাখা হচ্ছে? প্রশ্ন শান্তিপ্রসাদ সিনহার আইনজীবীর। সিবিআইয়ের পাশাপাশি ইডি একইসঙ্গে কীভাবে তদন্ত চালাতে পারেন? প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
অনন্তকাল হেফাজতে থাকার প্রশ্ন পার্থর, ফের বিপাকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী

অন্যদিকে, এসএসসির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য নিয়ে শুনানি সময় বিচারককে বলতে শোনা যায় যারা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে তাঁদের সম্পর্কে। বিচারকে কথায়, এঁরাও তো বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অংশ, টাকা দিয়ে নম্বর বাড়িয়েছেন এঁরা। যে চারজনকে সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে, সেই চারজনকে কেন হেফাজতে নেওয়া হচ্ছে না? সে তো চারজনকে হেফাজতে নিয়েও করা যায়। তাঁরাও তো পার্ট অব কন্সপিরেসি।









