তরুণদাকে নিয়ে আমার কিছু বলার নেই, গভীর শোকাহত পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ পরিচালক তরুণ মজুমদারের ষাঠ বছরে কর্মজীবনে বহু কাজ করেছেন অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার পরিচালকের প্রয়াণের খবর পেয়ে মুষড়ে পড়েছেন অভিনেতা। নজরবন্দিকে বললেন, “এই মুহুর্তে আমিও বলার অবস্থায় নেই। আপনাদের হয়তো খারাপ লাগতে পারে। এই মুহুর্তে তরুণদাকে নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। আমি শোকাহত”।

আরও পড়ুনঃ আরও একজন অভিভাবক চলে গেলেন, আক্ষেপ অনীক দত্তের 

সোমবার  সকাল ১১ টা ১৭ নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তাঁর হাত ধরেই বহু নায়িকার জন্ম হয়েছে বাংলা ছবিতে। একের পর এক বিগ হিট ছবিতে নজির গড়েছেন তিনি। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকাহত টলিউডের একাধিক কলাকুশলী। নিজের অভিজ্ঞতার কাছে নজরবন্দির কাছে শেয়ার করলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়।

১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ মজুমদারের। কিন্তু পড়াশোনা এবং বেড়ে ওঠা কলকাতাতেই। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে ছাত্র তরুণ মজুমদার পরে রসায়ন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

তরুণদাকে নিয়ে আমার কিছু বলার নেই, গভীর শোকাহত পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

১৯৫৯ সালের ‘চাওয়া পাওয়া‘ থেকেই সিনেমা জগতে কাজ শুরু। ১৯৬২ সালে ‘কাঁচের স্বর্গ’ ছবির জন্য জাতীয় পুরষ্কার পান তিনি। এরপর ‘পলাতক’, ‘গণদেবতা’, ‘বালিকা বধু’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বর’, ‘দাদার কীর্তি’ একের পর এক অসামান্য ছবি দিয়ে গেছেন সিনে প্রেমীদের জন্য। ৬০ বছরের সিনে দুনিয়ার যাত্রা আজ যেন এক লহমায় শেষ হয়ে গেল।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে

Google News Google News এবং Google Discover Google Discover -এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।

আরও পড়ুন