নজরবন্দি ব্যুরোঃ সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘অপরাজিত’ ছবিতে তাঁর কাজ দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন পরিচালক তরুণ মজুমদার। হল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন হয়ে পড়েছিলেন অনুজ অনীক দত্তের প্রতি। সোমবার যখন পরলোকে যাত্রা করলেন তরুণবাবু তখন অনীক মজুমদার বিদেশে নিজের কাজে। সেখান থেকে মনের ভাব ব্যক্ত করলেন অনীকবাবু। কয়েক শব্দ শেয়ার করলেন নজরবন্দির সঙ্গে।
আরও পড়ুনঃ Shatabdi Roy: তরুণ দা মানে আমার কাছে ইন্ডাস্ট্রি, আবেগে ভাসলেন শতাব্দী রায়
অনীক দত্ত বলেন, “এই খবর পেলাম। খুব চাইছিলাম যে আমার ফিরে যাওয়ার পর ওকে কিছুটা সুস্থ দেখবো। কথা বলতে পারব। বিদেশে আআর আগের দিন ওর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। কথা বলতে পারছিলাম না। আরও একজন অভিভাবক চলে গেলেন ”।

সোমবার সকাল ১১ টা ১৭ নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তাঁর হাত ধরেই বহু নায়িকার জন্ম হয়েছে বাংলা ছবিতে। একের পর এক বিগ হিট ছবিতে নজির গড়েছেন তিনি। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকাহত টলিউডের একাধিক কলাকুশলী। নিজের অভিজ্ঞতার কাছে নজরবন্দির কাছে শেয়ার করলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়।

১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ মজুমদারের। কিন্তু পড়াশোনা এবং বেড়ে ওঠা কলকাতাতেই। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে ছাত্র তরুণ মজুমদার পরে রসায়ন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
আরও একজন অভিভাবক চলে গেলেন, আবেগঘন অনীক দত্ত

১৯৫৯ সালের ‘চাওয়া পাওয়া‘ থেকেই সিনেমা জগতে কাজ শুরু। ১৯৬২ সালে ‘কাঁচের স্বর্গ’ ছবির জন্য জাতীয় পুরষ্কার পান তিনি। এরপর ‘পলাতক’, ‘গণদেবতা’, ‘বালিকা বধু’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বর’, ‘দাদার কীর্তি’ একের পর এক অসামান্য ছবি দিয়ে গেছেন সিনে প্রেমীদের জন্য। ৬০ বছরের সিনে দুনিয়ার যাত্রা আজ যেন এক লহমায় শেষ হয়ে গেল।



