নজরবন্দি ব্যুরোঃ প্রয়াত পরিচালক তরুণ মজুমদার। আজ সকাল ১১ টা ১৭ নাগাদ এসএসকেএম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। তাঁর হাত ধরেই বহু নায়িকার জন্ম হয়েছে বাংলা ছবিতে। একের পর এক বিগ হিট ছবিতে নজির গড়েছেন তিনি। তাঁর অকাল প্রয়াণে শোকাহত টলিউডের একাধিক কলাকুশলী। নিজের অভিজ্ঞতার কাছে নজরবন্দির কাছে শেয়ার করলেন অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, তরুণ দা মানে আমার কাছে ইন্ডাস্ট্রি।
আরও পড়ুনঃ Tarun Majumder: নীরবে নিভৃতে হবে শেষকৃত্য, চেয়েছিলেন পরিচালক নিজেই
তিনি বলেন, “তরুণ দা চলে মানে শুধুমাত্র বাংলা চলচ্চিত্র জগত নয়। বাংলার দর্শকদেরও বিরাট ক্ষতি। উনি যে ছবি বানিয়েছেন। বড় বড় কমার্শিয়ালি হিট ছবি দিয়েছেন। প্রযোজকদের যেমন টাকা ফেরত দিয়েছেন। তেমনই দর্শকদেরও মনোরঞ্জন করেছেন। এত মিষ্টি ছবি এত সুন্দর ছবি। তরুণদা চলে যাওয়া মানে একটা অধ্যায় শেষ। তরুণ মজুমদার নিজে একটা ইন্ডাস্ট্রি ছিলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে অনেক কিছু শেখা যেত। অনেক কিছু জানা যেত। পুরাতন গল্প। উনি ভীষণ মজাদার মানুষ ছিলেন। অসম্ভব মর্যাদাপূর্ণ মানুষ ছিলেন। তরুণ দা মানে আমার কাছে ইন্ডাস্ট্রি”।

১৯৩১ সালের ৮ জানুয়ারি অধুনা বাংলাদেশের বগুড়ায় জন্ম তরুণ মজুমদারের। কিন্তু পড়াশোনা এবং বেড়ে ওঠা কলকাতাতেই। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল মিশন কলেজ এবং স্কটিশ চার্চ কলেজে ছাত্র তরুণ মজুমদার পরে রসায়ন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।
তরুণ দা মানে আমার কাছে ইন্ডাস্ট্রি, শোকাহত শতাব্দী

১৯৫৯ সালের ‘চাওয়া পাওয়া‘ থেকেই সিনেমা জগতে কাজ শুরু। ১৯৬২ সালে ‘কাঁচের স্বর্গ’ ছবির জন্য জাতীয় পুরষ্কার পান তিনি। এরপর ‘পলাতক’, ‘গণদেবতা’, ‘বালিকা বধু’, ‘শ্রীমান পৃথ্বীরাজ’, ‘ফুলেশ্বর’, ‘দাদার কীর্তি’ একের পর এক অসামান্য ছবি দিয়ে গেছেন সিনে প্রেমীদের জন্য। ৬০ বছরের সিনে দুনিয়ার যাত্রা আজ যেন এক লহমায় শেষ হয়ে গেল।



