নজরবন্দি ব্যুরো: বাংলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহ বজায় রয়েছে। শনিবার এক দফায় ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পর সোমবার হল পুনর্নির্বাচন। শাসক দলের বিরুদ্ধে একের পর এক অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। ভোট লুঠ, ছাপ্পা ভোট, ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্সে ভাঙচুর- নানা অভিযোগে বিধ্বস্ত তৃণমূল। এরইমধ্যে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরের একাধিক প্রার্থী।
আরও পড়ুন: ভোট-হিংসায় নিহতদের সৎকারে সাহায্য করতে হবে রাজ্যকে, নির্দেশ হাইকোর্টের
সোমবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝিকরা গ্রামের বিজেপির চার জন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী দলত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দেন। এদিন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আতাউড় রহমানের হাত ধরে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করেন ২২, ২৩, ২৪, ২৫ নম্বর বুথের প্রার্থীরা। ভোটের টিকিট না পেয়ে বিজেপির অনেকেই দলত্যাগ করেন, কেউ আবার নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন। দল তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। বহিষ্কার করা হয়েছিল বহু নেতা-কর্মীকে।

এবারে তো সকলেই টিকিট পেয়েছিলেন, তাহলে হঠাৎ কেন দলত্যাগ? এই প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য, “বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়ন হচ্ছে। তাকে সামনে রেখেই দিদির পক্ষেই সব ভোট হচ্ছে। আমাদের পঞ্চায়েতের ২৫ জনের মতো প্রার্থী। বেশিরভাগই তৃণমূলের পক্ষে যাবে। পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। আমরা এখানে থাকলে কাজ করতে পারব না। পিছিয়ে পড়ব।”

উল্লেখ্য, সোমবার (১০ জুলাই) রাজ্যের ৬৯৬ টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। রবিবার বিকেলেই পুনর্নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণ হয়। পঞ্চায়েত হিংসায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন অধীর চৌধুরী। এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন ভোটের দিন যারা আহত হয়েছেন তাঁদের সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে রাজ্যকে। নিহতদের সৎকারের জন্য তাঁদের পরিবারকে সাহায্য করতে হবে।
পঞ্চায়েতের পুনর্নির্বাচনের দিনও দলবদল, তৃণমূলে যোগদান BJP প্রার্থীদের




