নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাঁচ রাজ্যে হারের পর দলের মুল্যায়নে বসেছে কংগ্রেস নেতারা। ২৪ এর নির্বাচনে দলের পদক্ষেপ কী হবে? দুর্বল সংগঠন দেখে চোখ কপালে উঠেছে কংগ্রেস নেতাদের।এরই মধ্যে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরমের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, রাজ্যগুলিতে কংগ্রেসের যা সংগঠন তাতে তৃণমূল এবং আপের নেতৃত্বে চলতে হবে কংগ্রেসকে।
আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের টিকাকরণ, জানাল রাজ্য


উল্লেখ্য, ৫ টি রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই সরব হয়েছেন জি-২৩ এর অন্তর্ভুক্ত কংগ্রেস নেতারা। কংগ্রেসের মত সমান মতাদর্শ যে সমস্ত দলের রয়েছে তাঁদের সঙ্গে আলোচনার আর্জি তাঁদের। একইসঙ্গে হাইকম্যান্ড নীতি তুলে দেওয়ার দাবী তুলছেন তাঁরা। গতকালই গুলাম নবী আজাদের বাড়িতে দুই দফায় বৈঠকে বসেছেন কংগ্রেস নেতারা।

তাঁদের মতো সংগঠন নিয়ে একই সুর মিলিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম। যে সমস্ত রাজ্যে কংগ্রেস দুর্বল, সেখানে আঞ্চলিক দলগুলির নেতৃত্ব দেবে। পাঞ্জাবের ক্ষেত্রে আপ এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তৃণমূলের নেতৃত্বে লড়াইয়ের পরিকল্পনা নিতে হবে কংগ্রেসকে। এমনটাই দাবী তুলেছেন তিনি।


গোয়ায় বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন তিনি। গোয়াতেও দুর্বল সংগঠন প্রথমে নজরে আসে তাঁর। পরে একেবারে খোলনলচে বদলে কংগ্রেসকে পুনরায় উজ্জীবিত করেছেন তিনি। এমনকি উত্তরপ্রদেশেও যে সংগঠনের অভাবে কংগ্রেসের বেহাল অবস্থা হয়েছে তা ভালোভাবেই আঁচ করতে পেরেছেন তিনি। ভোটের মুখে একইসঙ্গে সংগঠন গড়ে তোলা এবং ভোটে লড়া সহজ নয়। দাবী কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদের। একইসঙ্গে বিক্ষুব্ধ নেতাদের নাম করেই বলেন, কপিল সিব্বলরা এই সাংগঠনিক দুর্বলতার কথাই বলছেন।
তৃণমূল এবং আপের নেতৃত্বে চলতে হবে কংগ্রেসকে, দাবী চিদম্বরমের

ইতিমধ্যেই ভুপেন্দ্র হুডার সঙ্গে বৈঠক সেরেছেন রাহুল গান্ধী। শোনা যাচ্ছে, ভুপেন্দ্র হুড্ডার ছেলে দীপেন্দ্র হুড্ডার ওপর হরিয়ানার দায়িত্ব দিতে পারে কংগ্রেস। অনেকে মনে করছেন, গান্ধী পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সুসম্পর্ক রয়েছে ভুপেন্দ্র সিং হুড্ডার। সেইসঙ্গে তাঁর জনসমর্থন সবচেয়ে বেশী। তাই তাঁকে সরিয়ে নিয়ে এলেই জি-২৩ কে দুর্বল করা সম্ভব। সেটা বুঝেই তড়িঘড়ি বৈঠকে বসেছেন রাহুল।







