নজরবন্দি ব্যুরোঃ ডিসেম্বরেই আসছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন। সুখবর দিলেন অক্সফোর্ড গবেষণা টিমের অন্যতম সদস্যা, কলকাতার মেয়ে চন্দ্রাবলি দত্ত। তিনি জানিয়ে দিলেন, শিলমোহর পড়তে চলেছ বিশ্বের সবথেকে কার্যকর করোনা টিকায়। ২০২১ সাল শুরুর আগেই বাজারে আসবে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন।
আরও পড়ুনঃ মার্কিন পশুখামারে করোনায় মৃত্যু কয়েক হাজার পশুর, চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা।


বঙ্গতনয়া চন্দ্রাবলির বাড়ি টালিগঞ্জে, গোখেল মেমোরিয়ালের ছাত্রী ছিলেন তিনি। এই চন্দ্রাবলি স্থান পেয়েছেন ডক্টর সারা গিলবার্টের নেতৃত্বে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কার নিয়ে যে গবেষণা চলছে সেই বিজ্ঞানীদের টিমে। বিশ্বের বাছাই করা ২৫ জন বিজ্ঞানীর টিমের অন্যতম সদস্য চন্দ্রাবলি। তিনি আজ জানিয়ে দেন সুখবর। সবাই কে আশ্বস্ত করে তিনি আজ বলেন, “ডিসেম্বরেই করোনার ‘কমপ্লিট ভ্যাকসিন’ পাবেন বিশ্ববাসী। মানবদেহে তৃতীয় ও শেষ দফা ট্রায়াল শেষে ডিসেম্বরেই অক্সফোডের চাডক্স ভ্যাকসিন বাজারে আসছে।”
ডিসেম্বরেই আসছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন। যাবতীয় চিন্তার অবসান ঘটিয়ে ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রজেনেকা জানিয়েছে সব রকম পরীক্ষা সাফল্যের সাথে উতরেছে অক্সফোর্ডের করোনা ভ্যাকসিন কোভিশিল্ড। অ্যাস্ট্রাজেনেকা জানিয়েছে, “MHRA তদন্তের পর ফের ট্রায়াল চালুতে অনুমতি দিয়েছে কোভিশিল্ড এর। জানা গেছে টিকাটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।”
তিন মাসের মধ্যে অক্সফোর্ডের টিকায় শিলমোহর দিতে পারে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রক। চূড়ান্ত পর্বের ট্রায়ালের রিপোর্ট ও সেফটি ট্রায়ালের ডেটা দেখেই বাজারতে টিকা নিয়ে আসার ব্যাপারে সম্মতি দেবে ইউরোপিয়ান মেডিসিন অ্যাজেন্সি (ইএমএ)। অক্সফোর্ডের গবেষকরা জানিয়েছেন, টিকার ট্রায়ালের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে ব্রিটিশ সরকার। প্রাপ্তবয়স্কদের ট্রায়াল শেষ হয়ে যাবে তিন মাসের মধ্যেই, শিশুদের ওপর ট্রায়াল পরে হবে। সব ঠিক থাকলে ২০২১ শুরু হওয়ার আগেই করোনার টিকা আত্মপ্রকাশ করবে।


উল্লেখ্য আমেরিকাতে প্রায় ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের উপর এই টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চালাচ্ছিল ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রজেনেকা। কিন্তু ট্রায়ালের মাঝেই এক মহিলা স্বেচ্ছাসেবক গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার ফলে বন্ধ করে দেওয়া হয় ট্রায়াল। সেচ্ছাসেবিকা টিকা নেওয়ার পরে তাঁর শরীরে স্নায়বিক রোগের লক্ষণ দেয়। তবে এখন তিনি প্রায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন। চিকিৎসকদের দাবি তিনি ট্রান্সভার্স মায়েলিটিস (Transverse myelitis) রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।







