নজরবন্দি ব্যুরো: পেঁয়াজের দাম শুনেই চোখে জল আসছে মধ্যবিত্তর। কলকাতার বাজার ঘুরে ঘুরে দেখছে টাস্ক ফোর্স। বিক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন সদস্যরা। এরপরও দাম কমছে না। কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণ বিভিন্ন বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম এখনও উর্ধ্বমুখী। কোথাও ৮০ টাকা, কোথাও ৯০, আবার কোথাও কোথাও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজের দাম। চড়া দামে যাতে পেঁয়াজ বিক্রি না করা হয় তা নিয়েও সতর্ক করা হয়েছে।
বাজার ঘুরে দেখা যাচ্ছে পেঁয়াজের দাম কেন বাড়ছে তা নিয়ে এক এক বিক্রেতার একে এক মত। কেউ বলছেন, , পাইকারি বাজারে বেশি দাম তাই তাদের বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আবার কেউ বলছেন, নাসিক থেকেই পেঁয়াজের আমদানি কম হচ্ছে। এখানে জোগান কম থাকায় বেড়েছে মূল্য। কিন্তু এখন একটাই প্রশ্ন? পেঁয়াজের দাম কবে কমবে? মধ্যবিত্তের হেঁশেলে স্বস্তি ফিরবে কবে? তবে এই প্রশ্নের উত্তর বিক্রেতারাও নিশ্চিত বলতে পারছেন না।

গত কয়েকদিন ধরেই বাজারে ঘুরে ঘুরে পেঁয়াজের দাম, মূল্যবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিনও বাজার ঘুরে দেখেন টাস্কফোর্স ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি দল। বিক্রেতাদের সঙ্গে দাম নিয়ে কথা বলে তারা। টাস্কফোর্সের সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে জানান, বেআইনিভাবে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করলে শাস্তি অপরিহার্য। আরও জানা গিয়েছে, এই ধরনের বেআইনি কাজ ধরা পড়লে বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এমনকি আইনগত ভাবেও কড়া শাস্তি হতে পারে।

গত সপ্তাহে দমদম থেকে শুরু করে নাগেরবাজার, বাগুইআটি সহ একাধিক বাজার ঘুরে দেখে টাস্ক ফোর্স। সেইসময়ে জানা গিয়েছিল, বাংলায় পেঁয়াজ উৎপন্ন হয় না। মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। কিন্তু নাসিকে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করায় সঙ্কট তৈরি হয়েছে। টাস্ক ফোর্সের অভিযোগ ছিল, নাসিক থেকে আসা পেঁয়াজ দিল্লির পাইকারি বাজারে ৩০ টাকা দরে বিক্রি করলেও পশ্চিমবঙ্গে ৫০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে। কালীপুজো কিংবা দীপাবলির সময় পেঁয়াজের দাম কমবে কি না সেদিকেই তাকিয়ে মধ্যবিত্ত।
পেঁয়াজের দাম এখনও উর্ধ্বমুখী, দীপাবলির আগে কি স্বস্তি ফিরবে মধ্যবিত্তর?




