নজরবন্দি ব্যুরোঃ গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূম তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। গরু পাচারের বিপুল অঙ্কের টাকার লেনদেনের হদিশ পেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রত মণ্ডল সহ তাঁর ঘনিষ্ঠদের আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে কড়া নজরদারি রাখছে ইডি। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একাধিক অ্যাকাউন্ট। তবুও অনুব্রত মামলা লড়ার জন্য বাঘা বাঘা আইনজীবীদের টাকা মেটাচ্ছেন কীভাবে? সেটা উদ্ধার করতেই হন্যে হয়ে খোঁজ শুরু করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেখান থেকেই এক থানার অফিসারের খোঁজ পেয়েছে ইডি। এমনটাই সূত্র মারফত জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ আজ শুরু ওয়ানডে সিরিজ,অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভারতের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই


ইডি সূত্রে খবর, ওই পুলিশ অফিসারের সন্ধান মিলেছে। সেখান থেকে স্পষ্ট হয়েছে, নিম্ন ও উচ্চ আদালতে মামলা লড়াইয়ের জন্য টাকা আসছে ওই অফিসারদের থেকেই। খরচ হওয়া সেই টাকার পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা বলেই মনে করা হচ্ছে। ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচারের বিশাল টাকা এখনও ওই পুলিশ অফিসারের কাছে রয়েছে। সেই টাকা থেকেই কেষ্টর আইনি লড়াইয়ের টাকা জোগাচ্ছেন পুলিশ অফিসার!

ইডি সূত্রে খবর, বীরভূম থেকে মুর্শিদাবাদ অথবা মালদহ হয়ে গরু পাচার হত বাংলাদেশে। ভিন রাজ্য থেকে মুর্শিদাবাদ যাওয়ার জন্য বিরাট একটা করিডোর করে দিতেন কেষ্ট ও তাঁর দলবল। এর জন্য প্রোটেকশন মানি বাবদ কোটি কোটি টাকা পেতেন তিনি। এর সঙ্গে পুলিশ অফিসাররা যুক্ত থাকতে পারেন। আগে থেকেই এবিষয়ে সন্দেহ ছিল ইডির। সেই সূত্র ধরে যেতেই বিরাট তথ্য হাতে পেল তদন্তকারী সংস্থা।
কেষ্টর আইনি লড়াইয়ে টাকা জোগাচ্ছেন পুলিশ অফিসার! বিরাট তথ্য হাতে পেল ইডি

সূত্রের খবর, কেষ্ট প্রাক্তন দেহরক্ষী এবং গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই পুলিশ অফিসার সম্পর্কে জানা গেছে। গরু পাচার মামলায় কোন কোন প্রভাবশালী নেতারা যুক্ত রয়েছে? এখন তাঁদের খজ শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে ওই অফিসারকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।









