নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় নিশ্চিত। সেকথা আগেই জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরলেন তৃণমূল সুপ্রিমো? রাজনৈতিক মহলে এবিষোয়ে বিরাট জল্পনা শুরু হয়েছিল। এমনকি এনিয়ে বিরোধী পক্ষতেও এনিয়ে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে বলেও মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু সোমবার এবিষয়ে স্পষ্ট করে দেন মমতা নিজেই। তিনি বলেন, দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থনের কোনও প্রশ্নই থাকছে না।


তিনি বলেন, দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থনের কোনও প্রশ্নই থাকছে না। কারণ আমি বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তের অংশীদার। আমি বিট্রে করতে পারব না। তাহলে আমায় আপনারাই বলবেন বিট্রে করেছে। মমতার বক্তব্য, দেশ চাইছে সব বিরোধীরা একজায়গায় হোক। বৃহত্তর স্বার্থে, সঙ্কীর্ণ মানসিকতা দূরে সরিয়ে রেখে সেই ঐক্য এখন সময়ের দাবি।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘন্টা বাজার পরেই বিরোধী দলগুলিকে একজোট করার ডাক দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তসেজন্য ১৫ জুন সমস্ত ১৭ টি বিরোধী দলগুলি দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে একজোট হয়। সেখানে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়, বিরোধী দলগুলি সর্বসম্মতিক্রমে একজন প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করবে। পরে বিরোধীদের দ্বিতীয় বৈঠকে সেই প্রার্থী পদে জন্য যশবন্ত সিনহাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল।



এরপর সদ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে শোনা যায়, আগে থেকে যদি বিজেপি জানাত যে, একজন তফশিলি, আদিবাসী মহিলাকে তাঁরা প্রার্থী করছে, তাহলে আমরাও চেষ্টা করতাম। বৃহত্তর স্বার্থে বিরোধী ১৬-১৭টা দল বসে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। সর্বসম্মতিতে একজন প্রার্থী হলে, তা দেশের পক্ষে ভাল হতো।
তিনি আরও বলেন, এপিজে আবদুল কালামও আগে হয়েছেন। কিন্তু বিজেপি ফোনে কেবল আমাদের মতামত জানতে চেয়েছিল। ওদের মতামত জানায়নি। বৃহত্তর স্বার্থে, সর্বসম্মত প্রার্থী আমি সর্বদা পছন্দ করি। কিন্তু যেহেতু আমরা ১৭-১৮টা দল একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তাই সকলে না বললে আমি একা ফেরাতে পারি না। আমি চাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হোক।
দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থনের কোনও প্রশ্নই থাকছে না, বক্তা মমতা

রাজনৈতিক মহলের ধারণা, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থীর হাত নিশ্চিত সেটা আন্দাজ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেকারণেই ভোলবদল! আবার ২৪ এর দিকে তাকিয়ে বিরোধী জোটের কথা মাথায় রেখে এখন নিজের বক্তব্যের ব্যাখা দিচ্ছেন মমতা? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।







