নজরবন্দি ব্যুরোঃ হিংসার মাঝে সম্প্রীতির আবহ দেখা গেল ভাঙড়ে। আইএসএফ প্রার্থী তথা ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ভাই নওসাদ সিদ্দিকির সাথে মুখোমুখি দেখা হয়েগেল বিজেপি প্রার্থী সৌমী হাতির। ঘটনাস্থল ভাঙড় বিধানসভার সরোজিনী হাই মাদ্রাসা। মুখোমুখি দেখা হতেই একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তাঁরা। ভাঙড়ের মত স্পর্শ্বকাতর এলাকায় এই ঘটনা দেখে অনেকেই স্বস্তিতে। কারণ এই বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে নজর রয়েছে সবার। নির্বাচন কমিশন কার্যত নজিরবিহীন নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলেছে ভাঙড় বিধানসভা কে।
আরও পড়ুনঃ আগেও বলেছি এখনও বলছি BJP ১০০ পেরোবে না বাংলায়! পুরনো কথা রিপিট করে ট্যুইট পিকের।


ভাঙড়ে একাধিক জনসভায় একে অপরকে হুঙ্কার দিতে দেখা গেছে আইএসএফ সুপ্রিমো আব্বাস সিদ্দিকি এবং তৃণমূল যুবর জেলা সভাপতি শওকত মোল্লাকে। আব্বাস সিপিএম নেতৃত্বের কাছে ভাঙড় আসন দাবী করেছিলেন নিজের ভাইকে সেখান থেকে নির্বাচিত করানোর লক্ষে। আব্বাসের দাবী মানতে সিপিএমের কোন অসুবিধা হয়নি কারণ ভাঙড় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত অঞ্চল। আইএসএফ প্রধান একাধিকবার বলেছেন ভাঙড়ের জয় এখন সময়ের অপেক্ষা। অন্যদিকে যুযুধান প্রতিপক্ষ আব্বাসকে কোন গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। শওকত জানিয়েছেন ভাঙড়ে আব্বাস কোন ফ্যাক্টরই নয়।
এদিকে বিজেপি ভাঙড়ে ভাল ফল করার জন্যে মুখিয়ে আছে। বিজেপির দাবী তাঁরাই জিততে চলেছে। বিজেপি সূত্রে খবর আইএসএফ এবং তৃণমূলের ভোট কাটাকাটিতে(সংখ্যালঘু ভোট) তাঁদের জয় কার্যত নিশ্চিত। অন্যদিকে ভাঙড়ে একাধিক অশান্তির দায়ে গতকাল মধ্যরাতে এলাকার আইসি কে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


হিংসার মাঝে সম্প্রীতির আবহ ধরা পড়লেও চতুর্থ দফার ভোটের আগে ভাঙড় থানার আইসি শ্যামাপ্রসাদ সাহাকে বদলি করে দেয় কমিশন। তাঁর বদলে দায়িত্ব দেওয়া হয় তীর্থঙ্কর গঙ্গোপাধ্যায়কে। রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এর ইনস্পেকটর পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। ভাঙড় থানার আইসি বদলি হয়ে গেলেন ভবানীভবনে। বিধানসভা ভোটের আগে লাগাতার অশান্তি চলেছে ভাঙড়ে। রেহাই পাননি আইএসএফ এর প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকিও।








