নজরবন্দি ব্যুরো: নন্দীগ্রামের পর ISF-কে ভাঙড় ছাড়ল বামেরা, রাজ্যে ক্রমশ জমে উঠেছে প্রাক নির্বাচনী লড়াই। রাজ্যের প্রতিটি দল ময়দানে নেমে পড়েছে। তবে এবার বাংলায় মুখ্য প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই চালাচ্ছে তৃণমূল এবং বিজেপি। কিন্তু ২১ এর নির্বাচনে ঘুরে দাঁড়াতে বাম এবং কংগ্রেস জোট বেঁধেছে। আর তাঁদের সাথে ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি হিসেবে জোটে পাকাপাকি ভাবে প্রবেশ করেছে আব্বাস সিদ্দিকীর নতুন দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। সেই দলকে আগেই নন্দিগ্রাম আসন ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেরা। আর এবার নন্দীগ্রামের পর ভাঙড়!
আরও পড়ুনঃ কোকেন কান্ডে নয়া মোড়, পুলিশের হাতে অডিও ক্লিপ, ফাঁসতে পারেন প্রভাবশালী নেতারা
নন্দীগ্রামের পর ISF-কে ভাঙড় ছাড়ল বামেরা, জোটের স্বার্থে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাম শরিক সিপিআই। সুতরাং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে বাম-কংগ্রেস জোটের হয়ে লড়বেন আব্বাস সিদ্দিকির দলের প্রার্থী। অন্যদিকে দক্ষিন ২৪ পরগণায় তৃনমূল কে ঠেকাতেও আব্বাসেই ভরসা রাখছে বামেরা। সূত্রের খবর ভাঙড় আসনে জোটের জয় পাওয়ার যাবতীয় অঙ্ক সাজানোর কাজও নাকি শেষ! সূত্রের দাবি, ভাঙড়ে যে ভোট লুঠের অভিযোগ উঠেছে একাধিকবার। আব্বাস সেই ভোট লুঠ রুখবেন!!
কদিন আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট প্রধান তথা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা বলেন, “আমি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের হয়ে লড়ছি। আর আমি একজন মুসলিম এই কারণে আমাকে বাধা দেওয়া হচ্ছে।” এখানেই না থেমে তিনি বলেন, “এই তৃণমূল সরকার চিটিংবাজ, ধোঁকাবাজ সরকার, কাটমানির সরকার, এরা সন্ত্রাসবাদী।” তাঁর কথায়, “আমরা ভিক্ষা নয়, অধিকার চাই। খেলা নয়, সন্ত্রাস মুক্ত বাংলা চাই। তাই আইএসএফকে জেতাতে হবে।” পাশাপাশি তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, “যে ভোট লুট করতে আসবে তার ছাল আমরা গুটিয়ে নেব।”
ভাঙড় আসনে প্রার্থী হিসেবে শোনা যাচ্ছে আব্বাসের ভাই তথা সংগঠনের চেয়ারম্যান নৌসাদ সিদ্দিকির নাম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই বিধানসভা কেন্দ্রটিতে সংখ্যালঘুরাই নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করেন। সূত্রের খবর, বুধবার রাতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আসন রফা নিয়ে বৈঠকে বসে বাম, কংগ্রেস এবং আইএসএফ নেতৃত্ব। সেই বৈঠকেই স্থির হয় ভাঙড় আসনে জোটের পক্ষে লড়বে আব্বাসের দল আইএসএফ।



